• বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে
  • " />

     

    ট্রিপল সেঞ্চুরিও অসম্ভব মনে করছেন না মুশফিক

    ট্রিপল সেঞ্চুরিও অসম্ভব মনে করছেন না মুশফিক    

    কাল ১৬১ রানে আউট হওয়ার পর মুমিনুল হকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ডাবল সেঞ্চুরি মিস করা নিয়ে কি কোনো আক্ষেপ আছে? মুমিনুল মজা করেই বলেছিলেন, ডাবল সেঞ্চুরির খিদে তাড়াতাড়ি না মিটলেই ভালো। মুশফিকুর রহিম অবশ্য আজ সেই সীমানা ছাড়িয়ে গেছেন, এখন তাঁর সামনে উঁকি দিতে পারে ট্রিপল সেঞ্চুরির হাতছানি। নিজের কথা নয়, মুশফিক বলছেন টপ অর্ডারের যে কারও ৩০০ রান হতে পারে।

    বড় ইনিংস খেলার বিশ্বাস তাঁর ভেতর সবসময়ই ছিল। পাঁচ বছর আগে গলে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম পেয়েছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি। এবার পেলেন আবারও, ২১৯ রানে অপরাজিত থেকেই ছেড়েছেন মাঠ। মুশফিক অবশ্য বলেছেন, আজ আড়াইশ পর্যন্ত যেতে চেয়েছিলেন। তবে দলের কথা ভেবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা ঠিকই মনে করছেন। এমন চললে ৩০০-ও বাংলাদেশের কারও জন্য অসম্ভব নয় বলে মনে করেন, ‘আমি আমার নিজের ভেতর এটা বিশ্বাস করি। প্রথমে যখন ২০০ করেছি, তখন মনে হয় নাই এটা প্রথম বা আবার কবে মারব। নিজের ওপর ওরকম বিশ্বাস ছিল না। এখন এটা পাওয়ার পর আমার বিশ্বাস একটু হলেও ফিরে এসেছে এরকম আরও বড় অবদান রাখতে পারব। আমার মনে হয় আমাদের টপ অর্ডারদের কারও জন্য এটা অসম্ভব না। ইনশাআল্লাহ মুমিনুলের তাড়াতাড়ি আসবে, যখন এই ম্যাজিক ফিগার পেয়ে যাবে তখন সে আরও বড় কিছু করতে পারবে।’

    মুশফিক মনে করিয়ে দিলেন, ওয়ানডেতেও গত কিছুদিন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বড় রান করছে। নিজে এশিয়া কাপে করেছেন ১৪৪, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪৪ করেছেন ইমরুল কায়েস। মুশফিক সেসব ভুলছেন না, ‘টেস্টে ত্রিশ, চল্লিশ, ফিফটিতে জেতা যায় না। অন্তত একশ, দেড়শ বা দুইশ (দরকার) হয়। আমাদের ট্রেন্ড শুরু হচ্ছে। আর আমাদের শেষ কয়েকটা ওয়ানডে ইনিংস দেখেন, আমরা বড় ইনিংস করার চেষ্টা করছি। অন্তত ১৪০ পর্যন্ত যাওয়ার চেষ্টা করছে। এটা ভালো একটা লক্ষণ। আমরা চেষ্টা করছি যত বেশি অবদান রাখা যায়।’

    মুশফিকের এই বিশ্বাস বাকিদের মধ্যে সঞ্চারিত হলেই বাংলাদেশের জন্য ভালো।