• বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে
  • " />

     

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে যদি সুযোগ থাকে তাহলে মাশরাফি খেলবে: বিসিবি সভাপতি

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে যদি সুযোগ থাকে তাহলে মাশরাফি খেলবে: বিসিবি সভাপতি    

    কদিন আগেই জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সবকিছু ঠিক থাকলে সামনের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। অথচ ১৪ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে শেষ ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। আর ৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার শেষ তারিখ। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল মাশরাফির ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলা নিয়ে। সরাসরি কিছু না বললেও সেই সিরিজে মাশরাফির থাকা নিয়ে নিজের সংশয় জানিয়েছেন। তবে ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মাশরাফিকে পাবেন বলে তারা পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী।

    কদিন আগেই নড়াইল-২ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়নপত্র কিনেছেন মাশরাফি। এই অবস্থায় খেলা ও রাজনীতি একসাথে চালিয়ে যেতে পারবেন কি না সেই প্রশ্নও উঠে গেছে। বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে সিরিজ চলায় মাশরাফি নির্বাচনী প্রচারণায় কতটা ব্যস্ত থাকবেন, বা খেলার ফাঁকে সময় দিতে পারবেন কি না সেই প্রশ্নও ভেসে বাড়াচ্ছে হাওয়ায়। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান অবশ্য এ নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু বললেন না, ‘এটি তো আসলে কঠিন একটি প্রশ্ন। তবে যতদূর জানি তাঁকে বিশ্বকাপে পাওয়া যাবে। এখন হচ্ছে কি আসলে ওর নির্বাচনের ইস্যুতে সময়টি যদি আপনারা দেখেন যে ওর নমিনেশন পেপার সাবমিট করার একটি ব্যাপার আছে। এখন সে কবে সেই ফর্ম পূরণ করবে বা কবে তুলবে, কী প্রোগ্রাম করবে এটি আসলে আমরা এখনও জানি না। তবে আজকে ওর সাথে আমার দেখা হবে মনে হয়। সম্ভাবনা আছে। তখন আসলে জানতে পারব। যদি সুযোগ থাকে সে অবশ্যই খেলবে বলে আমার ধারণা। ও যদি একদিনের জন্যও খালি থাকে তাহলে অবশ্যই সে খেলবে। কারণ খেলাটা তাঁর কাছে এখনও প্রাধান্য পায় বলে আমি মনে করি।'

    সাকিব আল হাসানের মনোনয়নপত্র তোলার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত তা করনেনি সাকিব। বিসিবি সভাপতি অবশ্য মাশরাফির সঙ্গে সাকিবের ব্যাপারটা তুলনা করছেন না, ‘এটা ঠিক মনে করি না। সাকিবও করতে চেয়েছিল। এসব কথা চিন্তা করে ,যেহেতু সে আরও চার-পাঁচ বছর খেলবে। সাকিবকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঠিক আছে তুমি খেলো। মাশরাফির ব্যাপারটা ভিন্ন। ও কতদিন খেলবে ঠিক নিশ্চিত না। ওর যে শারীরিক অবস্থা, এখনো যে খেলছে এটাই তো অনেক।’

    নাজমুল হাসান মনে করেন, বিশ্বকাপ খেলে বিদায় নেওয়াটাই মাশরাফির জন্য আদর্শ বিদায়, ‘সে খেলোয়াড় হিসেবে খেলে না, আমাদের দলে অধিনায়ক হিসেবে খেলে। ওর অধিনায়কত্ব আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ওর মতো অধিনায়ক খুঁজে পাচ্ছি না, পাবও না মনে হয়। সেদিক দিয়ে চিন্তা করলে বড়জোর বিশ্বকাপের পর হয়তো অবসরে যাবে। সেটি যদি হয় মাত্র কয়েক মাসের ব্যাপার। এটা হলে এর চেয়ে ভালো প্রস্থান আর কিছু হতে পারে না। কয়েক মাস পর অবসর নিলে সে এই সাড়ে চার বছর আর করবেটা কী? আরেকটি ক্ষেত্রে সে থাকল, যেখান সে ক্রীড়াক্ষেত্রে জোরাল অবস্থান রাখতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস।’

    মাহমুউল্লাহকেও এ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সংবাদ সম্মেলনে। ম্যাচ জয়ের পর বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হাসতে হাসতেই বললেন, ‘মাশরাফি ভাই আমাদের ওয়ানডে অধিনায়ক, চোট না থাকলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তাঁর না খেলার কোনো কারণ আমি দেখি না।’