• বিপিএল ২০১৯
  • " />

     

    • বিপিএল ২০১৯

    কেমন হলো বিপিএলের সাত দলের ঘর গোছানো?

    আর মাত্র এক দিন পরেই শুরুর বিপিএল। কেমন হলো দলগুলোর ঘর গোছানো? কোন দলের শক্তি কোথায় আর দুর্বলতাই বা কোনখানে? 

     

    রংপুর রাইডার্স

    অনেকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে শুরু করে শেষ চারে পা রাখলেও এরপর গেইল একাই বদলে দিয়েছেন রংপুরকে। এবারও মাশরাফি বিন মুর্তজা অধিনায়ক, গেইলের সঙ্গে আছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, অ্যালেক্স হেলসরা। টানা দ্বিতীয় শিরোপার পথে কাগজে কলমে ফেবারিট রংপুর।

     

    শক্তি

    বিধ্বংসী টপ অর্ডার

    গেইল, হেলস ওপেনিংয়ে, এরপর মিঠুন- ডি ভিলিয়ার্স, প্রথম চার জনের মধ্যে তিন বিদেশীই নিজের দিনে ম্যাচ করে নিতে পারেন। আর মাশরাফির বিপিএল-ভাগ্য তো আছেই!

     

    দুর্বলতা

    মিডল অর্ডারে শুন্যতা

    প্রথম চার জন ব্যর্থ হলে রংপুরের হাল ধরবেন কে, সেটা নিয়েই প্রশ্ন। গত বার থিসারা পেরেরা লোয়ার মিডল অর্ডারে ঝড় তুলেছিলেন, এবার তিনি নেই। নাহিদ, বোপারাদের ওপর কতটা ভরসা করা যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

     

    এক্স ফ্যাক্টর

    কটরেলের স্যালুট

    কদিন আগেই বাংলাদেশ সফরে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন কটরেল। টমাসকে ড্রাফটে নিয়েও পরে কটরেলকে নিয়েছে রংপুর। বিশেষ করে শর্ট বলে ভালোই ভুগিয়েছিলেন, এবারও মাশরাফির সঙ্গে কটরেল হতে পারেন পার্থক্য নির্ধারণী।

    দেশী

    মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাজমুল ইসলাম অপু, মোহাম্মদ মিঠুন, শফিউল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, মেহেদি মারুফ, সোহাগ গাজী​, আবুল হাসান রাজু ও ফারদিন হোসেন অনিক

    বিদেশী

    ক্রিস গেইল,  শেলডন কটরেল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবি ডি ভিলিয়ার্স, রাইলি রুশো (দক্ষিণ আফ্রিকা), অ্যালেক্স হেলস, রবি বোপারা, বেনি হাওয়েল (ইংল্যান্ড)

     

    ঢাকা ডায়নামাইটস

    বিপিএলের ইতিহাসের সফলতম দলটি গত বারও ছিল শিরোপার পথে। কিন্তু গেইলের কাছে হেরে যেতে হয়েছে শেষ পর্যন্ত। গত বারের মতো না হলেও এবারও ঢাকা বেশ শক্তিশালীই বটে।

     

    শক্তি 

    অলরাউন্ডারদের মেলা

    সাকিব আল হাসান, আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড আর সুনীল নারাইন- নিজেদের দিনে পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন যে কেউ। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসেরই সফলতমদের ছোট্ট তালিকায় থাকবেন তারা, এবারও এই চারজনের দিকেই তাকিয়ে থাকবে ঢাকা।

    দুর্বলতা

    সাকিব-রুবেলই ভরসা

    স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে সাকিব আর রুবেল ছাড়া সেই অর্থে ভরসা করার মতো কেউ নেই। নুরুল টি-টোয়েন্টিতে এখনও পরীক্ষিত নন, কাজী অনিক-আসিফ হাসানরাও অনেকটাই তরুণ। দেশী খেলোয়াড়দের মধ্যে তাই অটোমেটিক চয়েসও নেই সেভাবে।

     

    এক্স ফ্যাক্টর

    হজরতউল্লাহ জাজাই

    আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে ছয় বলে ছয়টি ছয় মেরে চমক সৃষ্টি করেছিলেন। বিপিএলে শুরুর দিকে নেমে ঝড় তুলে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা আছে তাঁর।

    দেশী

    সাকিব আল হাসান, রুবেল হোসেন, নুরুল হাসান, রনি তালুকদার, শুভাগত হোম, কাজী অনিক, মিজানুর রহমান, আসিফ হাসান, শাহাদাত হোসেন ও নাঈম শেখ

    বিদেশী

    সুনীল নারাইন, কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), হজরতউল্লাহ যাজাই (আফগানিস্তান), অ্যান্ড্রু বির্চ (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও ইয়ান বেল (ইংল্যান্ড)​​

     

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

    গত বার শুরুটা দারুণ করে দাপটের সঙ্গে শেষ চারে পা রেখেও ফাইনালে ওঠা হয়নি কুমিল্লার। সেবারের বাটলার, রশীদ খানরা নেই, তবে এসেছেন স্মিথ, আফ্রিদি, থিসারা পেরেরা, এভিন লুইসরা। দ্বিতীয় শিরোপার আশা তাই তামিম ইকবালের দল করতেই পারে।

     

    শক্তি

    টপ অর্ডার

    তামিম, লুইস, স্মিথ- প্রথম চারটি নামের এই তিনটি নাম দেখেই দলের শক্তি অনুমান করা যাচ্ছে। এর মধ্যে উইকেটকিপার সুযোগ পেতে পারেন ঘরোয়া লিগে ফর্মে থাকা বিজয়, আর টিম কম্বিনেশনের কারণে বাইরে থাকতে হতে পারে ইমরুলকে।

     

    পেস বোলিং অলরাউন্ডার

    বিপিএলে বিশেষ করে পেস বোলিং অলরাউন্ডাররা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কাজ করেছেন আগেও। থিসারা পেরেরা, আমের ইয়ামিন আছেন এবার, সঙ্গে থাকছেন পরিণত হতে থাকা সাইফ উদ্দিন।

     

    দুর্বলতা

    স্পিন নির্বিষ?

    একমাত্র আফ্রিদি ছাড়া ভরসা করার মতো স্পিনার নেই সেরকম। মেহেদী হাসান গত বার কয়েকটি ম্যাচে ঝলক দেখালেও সেরকম ধারাবাহিক হতে পারেননি। আফ্রিদি নিজেও টি-১০ আর টোয়েন্টি মিলে গত ১০ ম্যাচে পেয়েছেন শুধু ৭ উইকেট।

     

    এক্স ফ্যাক্টর

    ওয়াকার সালেমখেইল

    ড্রাফটে তাঁর নামটা অনেকের কাছেই ছিল অচেনা। আফগান এই চায়নাম্যান এখন পর্যন্ত মাত্র সাতটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন, তবে এর মধ্যেই উইকেট পেয়েছেন দশটি। মুজিব উর রেহমানের মতো তিনিও দিতে পারেন চমক

    দেশী

    তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সাইফ উদ্দিন, আবু হায়দার রনি, এনামুল হক বিজয়, মেহেদি হাসান রানা, জিয়াউর রহমান, মোশাররফ রুবেল, মোহাম্মদ শহীদ, শামসুর রহমান শুভ ও সনজিত সাহা ​​

    বিদেশী

    শোয়েব মালিক, শহীদ আফ্রিদি, আমের ইয়াসিন (পাকিস্তান), এভিন লুইস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ওয়াকার সালামখেইল (আফগানিস্তান), লিয়াম ডওসন (ইংল্যান্ড), থিসারা পেরেরা (শ্রীলঙ্কা), স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)।

     

    খুলনা টাইটানস

    সীমিত সামর্থ্যে সবটুকু উজাড় করে দেওয়া- দুই বছর আগে থেকেই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনার ব্র্যান্ড এটাই। প্রথমবার শফিউলের পর গত বার সারপ্রাইজ প্যাকেজ যেমন ছিলেন আরিফুল হক। এবারও শেষ চারের লড়াইয়ে সেরকম একজনকে চাইবে খুলনা।

     

    শক্তি

    ডানহাতি-বাঁহাতি পেসার তো আছেই, খুলনা এগিয়ে থাকবে স্পিন বৈচিত্র্যে। তাইজুল, তানভীরের বাঁহাতি স্পিন, ইয়াসির ডান হাতি গুগলি, মাহমুদউল্লাহর অফ স্পিনের সঙ্গে আছে আফগান জহির খানের চায়নাম্যান।

    দুর্বলতা

    টপ অর্ডার

    প্রথম চার জনের মধ্যে সেই অর্থে ঝড় তোলার মতো সেরকম কেউ নেই খুলনায়। শান্ত, টেলর, স্টার্লিংরা ভালো বটে, তবে কতটা বিধ্বংসী হতে পারবেন তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। মাহমুদউল্লাহ, আরিফুল, ব্রাথওয়েটদের ওপর রান রেট বাড়ানোর দায়িত্ব বেশিই পড়তে পারে।

     

    এক্স ফ্যাক্টর

    মালিঙ্গার বুড়ো হাড়

    প্রায় হারিয়ে যেতে যেতে এশিয়া কাপে এসে জ্বলে উঠেছেন মালিঙ্গা। দেখিয়েছন এখনও হতে পারেন দারুণ কার্যকরী। বিপিএলে তাঁর কাছ থেকে সেরকম কিছুই চাইবে খুলনা।

    দেশি

    মাহমুদউল্লাহ, আরিফুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, জহুরুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, আল-আমিন জুনিয়র, শরিফুল ইসলাম​, শুভাশীষ রায়, জুনায়েদ সিদ্দিক, তানভীর ইসলাম ও মাহিদুল হাসান অংকন ​

    বিদেশী

    ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড), আলী খান (যুক্তরাষ্ট্র), কার্লোস ব্রাথওয়েট, শেরফ্যান রাদারফোর্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)​, লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), জহির খান (আফগানিস্তান), ডেভিড ভিসে (দক্ষিণ আফ্রিকা,  ইয়াসির শাহ (পাকিস্তান) ও ব্রেন্ডন টেইলর (জিম্বাবুয়ে)

     

     

    রাজশাহী কিংস

    নাম বদলে ফেরার পর দুই বছর আগে প্রথম আসরেই সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে খেলেছিল রাজশাহী। গত বছর অবশ্য সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে পারেনি আর, ছয়ে থেকেই শেষ করতে হয়েছিল। গত দুবারের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি দলে নেই, এবার মেহেদী হাসান মিরাজের তরুণ কাঁধেই ন্যস্ত হয়েছে অধিনায়কত্ব। মুশফিকুর রহিমসহ গত বারের স্থানীয় আর বিদেশীদের মধ্যেও নেই অনেকে। কোচ হিসেবে অবশ্য এসেছেন ল্যান্স ক্লুজনার।

    শক্তি

    স্থানীয়রাই যখন কাণ্ডারি

    মিরাজ, মোস্তাফিজ, মুমিনুল, সৌম্য- জাতীয় দলের চার জন এবার খেলছেন রাজশাহীতে। গত বার মোস্তাফিজকে হাফ ফিট অবস্থায় মৌসুমের শেষ দিকে পেয়েছিল রাজশাহী, এবার পাচ্ছে শুরু থেকেই। সৌম্য রঙিন পোশাকে বছরের শেষ দিকে যেভাবে আলো ছড়িয়েছেন, বিপিএলে আরও ভালো কিছুর আশা করতেই পারেন। মুমিনুলও গত বার খেলেছেন দারুণ কিছু ইনিংস, টি-টোয়েন্টিতেও যে দারুণ তার প্রমাণ দিয়েছেন। আর মিরাজ তো প্রতিদিনই ব্যাটে-বলে নিজেকে আরও শাণিত করছেন। এর বাইরে জাকির হাসানও দেখিয়েছেন, নিজের দিনে পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন ভালোমতোই। চ

    -ক্লুজনারের অভিভাবকত্ব

    টি-টোয়েন্টিতে কোচদের সেভাবে কাজ করার সুযোগ থাকে না বটে, তবে ল্যান্স ক্লুজনারের কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখতে চাইবেন রাজশাহীর তরুণরা। নিজের সময়ে আজকের টি-টোয়েন্টির ব্র্যান্ডটা তাঁর খেলায় ছিল ভালোমতোই। অন্তত অভিজ্ঞতা দিয়েই সাহায্য করতে পারবেন অনেকখানি।

     

    দুর্বলতা

    মলিন ভিনদেশি তারা

    বিদেশীদের মধ্যে সেই অর্থে বড় কেউ নেই রাজশাহীতে। জঙ্কার, কায়েস আহমেদ, উদানা, ইভান্স, প্রসন্নেরা সেই অর্থে কেউ ‘গেম চেঞ্জার’ নন। টেন ডেসকাট পেছনে ফেলে এসেছেন সেরা সময়। হাফিজ কার্যকরী ক্রিকেটার হলেও তাঁকে শুধু প্রথম চার-পাঁচটি ম্যাচেই হয়তো পাবে রাজশাহী।

    এক্স ফ্যাক্টর

    মিরাজের অধিনায়কত্ব

    বিপিএলের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে মিরাজের। এর আগে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সেরা অধিনায়ক হলেও এত বড় আসরে তা করা হয়নি মিরাজের। তাঁকে অধিনায়ক করে একটা জুয়াই খেলল রাজশাহী।

    দেশী

    মুমিনুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, জাকির হাসান, সৌম্য সরকার, ফজলে রাব্বি, আরাফাত সানি, আলাউদ্দিন বাবু, মার্শাল আইয়ুব, শাহরিয়ার নাফীস ও কামরুল ইসলাম রাব্বি​

    বিদেশী

    কাইস আহমাদ (আফগানিস্তান), ক্রিশ্চিয়ান জনকার (দক্ষিণ আফ্রিকা), ইসিরু উদানা, সেকুগে প্রসন্ন (শ্রীলঙ্কা), লরি ইভান্স (ইংল্যান্ড), রায়ান টেন ডেসকাটে (নেদারল্যান্ডস) ও ​মোহাম্মদ হাফিজ (পাকিস্তান) 


     

    সিলেট সিক্সারস

    নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে গত বার শুরুটা দুর্দান্ত হলেও ধরে রাখতে পারেনি পথ। তবে এবার আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরেছে সিলেট, খুব সম্ভবত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দলও তারা।

    শক্তি

    বারুদ যখন ঘরেই

    স্থানীয় খেলোয়াড়দের শক্তির হিসেবে রাজশাহী আর সিলেটই সম্ভবত সবচেয়ে এগিয়ে। গত বারের সাব্বির রহমান, নাসির হোসেনরা তো আছেনই, এবার যোগ দিয়েছেন লিটন দাসও। তরুণদের মধ্যে আছেন আফিফ হোসেন, তৌহিদ হৃদয় আর পেস বোলিং সামলাবেন তাসকিন, আল আমিনরা।

     

    ওয়ার্নারের অধিনায়কত্ব

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএলে নিজের অধিনায়কত্বের ঝলক দেখিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। নিজেই বলেছেন, বিপিএলটা দেখছেন বিশ্বকাপে ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে। সেই হিসেবে তাঁর কাছ থেকে বাড়তি কিছু চাইতেই পারে সিলেট!

    দুর্বলতা

    মিডল অর্ডার

    নাসির অনেক দিন ধরেই নেই খেলায়, সাব্বিরও নেই ফর্মে। কাপালি পেছনে ফেলে এসেছেন সেরা সময়। ব্যাটিংয়ে ওয়ার্নার-লিটন-পুরানদের ওপর বেশিই নির্ভর করতে হচ্ছে সিলেটকে।

     

    এক্স ফ্যাক্টর

    সান্দিপ লামিচানে

    ১৮ বছর বয়সী নেপালী এই লেগ স্পিনার বিগ ব্যাশে নিজের প্রথম ওভারেই নিয়েছেন দুই উইকেট। চার ম্যাচ আট উইকেট নিয়ে শেষ করেছেন বিগ ব্যাশ। বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের লেগ স্পিনে দুর্বলতা পরীক্ষিত, লামিচানে তাই হতে পারেন ট্রাম্প কার্ড।

    দেশি

    নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, আল-আমিন সিনিয়র, তৌহিদ হৃদয়, তাসকিন আহমেদ​, নাবিল সামাদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, অলক কাপালি, ​জাকির আলি ও মেহেদি হাসান রানা

    বিদেশী

    সোহেল তানভীর, মোহাম্মদ ইরফান (পাকিস্তান) ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া), সন্দিপ লামিচানে (নেপাল), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, আন্দ্রে ফ্লেচার, নিকোলাস পুরান (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), গুলবাদিন নাইব (আফগানিস্তান), প্যাট ব্রাউন (ইংল্যান্ড), ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)

     

    চিটাগং ভাইকিংস

    গত বার সবার নিচে থেকে শেষ করেছিল লিগ। এবার মুশফিকুর রহিমকে পেয়ে আগের চেয়ে শক্তি বেড়েছে বটে, তবে কাগজে কলমে চট্টগ্রাম শিরোপাদৌড়ে পিছিয়েই থাকবে একটু।

    শক্তি

    রঙ্কির পর মুশফিক

    বিপিএলে গত বার প্রায় প্রতি ম্যাচেই ঝড়ো শুরু এনে দিয়েছিলেন রঙ্কি। এবারও তাঁর কাছ থেকে সেটাই চাইবে চট্টগ্রাম। আর মুশফিক গত বার বাদ দিলে বিপিএলে সবসময়ই দারুণ ধারাবাহিক।

     

    দুর্বলতা

    লোয়ার মিডল অর্ডার

    মুশফিক আর রাজার পর সেই অর্থে বিধ্বংসী ইনিংস খেলার মতো কেউ নেই চট্টগ্রামে। দেশীদের মধ্যেও নেই কোনো বিগ হিটার।

    এক্স ফ্যাক্টর

    মোহাম্মদ আশরাফুল

    পাঁচ বছর পর ফিরছেন বিপিএলে। এর মধ্যে গড়িয়ে গেছে অনেকটা সময়, আবার আশরাফুল ফিরছেন বিপিএলে। এবারের মঞ্চটা তাঁর জন্য হতে পারে অনেক কিছু প্রমাণ করার।

     

    দেশী

    মুশফিকুর রহিম, সানজামুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন, আবু জায়েদ, নাইম হাসান, খালেদ আহমেদ​, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাঈম হাসান, রবিউল হক, ইয়াসির আলি চৌধুরী, নিহাদুজ্জামান ও সাদমান ইসলাম ​

    বিদেশী

    লুক রঙ্কি (নিউজিল্যান্ড), সিকান্দার রাজা (জিম্বাবুয়ে), নাজিবুল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ শাহজাদ (আফগানিস্তান), রবার্ট ফ্রিলিঙ্ক, ক্যামেরন ডেলপোর্ট (দক্ষিণ আফ্রিকা), দাসুন শনাকা (শ্রীলঙ্কা)