• বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফর
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    দেরাদুনে প্রথম দিনটা আফগানিস্তানের

    ১ম দিন শেষে

    আয়ারল্যান্ড ১ম ইনিংস ৬০ ওভারে ১৭২ (মারটাগ ৫৪*, ডকরেল ৩৯; আহমাদজাই ৩/৪১, নবী ৩/৩৬)

    আফগানিস্তান ৩১ ওভারে ৯০/২ (শাহজাদ ৪০, রহমত ২২*, শহিদি ১৩* ; ক্যামেরন ডো ২/৩৫)


    প্রথম টেস্টটা দুই দলেরই শেষ পর্যন্ত মনে রাখার মতো হয়নি।  ভারতের দেরাদুনের দ্বিতীয় টেস্টটা তাই দুই দলের জন্যই স্মরণীয় করে রাখার একটা উপলক্ষ, সুযোগ প্রথম জয় পাওয়ারও। সেই লড়াইয়ে আপাতত কিছুটা হলেও এগিয়ে আফগানিস্তান। আয়ারল্যান্ডকে প্রথম দিন ১৭২ রানে অলআউট করে দেওয়ার পর ২ উইকেট হারিয়ে ৯০ রান তুলে ফেলেছে তারা।

    আয়ারল্যান্ডের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত। ৮৫ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলেছিল ৮ উইকেট, উঁকি দিচ্ছিল ১০০ রানে অলআউট হওয়ার দুঃস্বপ্ন। শেষ পর্যন্ত শেষ উইকেটে এসে ঘুরে দাঁড়ান টিম মারটাগ ও জর্জ ডকরেল। দুজন মিলে দশম উইকেটে যোগ করেছেন ৮৭ রান। এর মধ্যে মারটাগ ৭৫ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন, ভারতের মাটিতে আর কেউ ১১ নম্বরে এসে এত রান করেননি। টেস্ট ইতিহাসেই মারটাগের চেয়ে বেশি বয়সে ১১ নম্বরে নেমে এর চেয়ে বেশি রান করেছেন শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার প্যাট সিমকক্স। তবে এর মধ্যে ডকরেলের ১০০ বলে ৩৯ রানের কথাও ভুলে যাওয়া উচিত হবে না।

    শুরুটা কিন্তু খারাপ হয়নি আয়ারল্যান্ডের, প্রথম ৯ ওভারের মধ্যেই চলে এসেছিল ৩৭ রান। পল স্টার্লিং ২৬ রান করে ফেলেছিলেন, যার মধ্যে ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের এক ওভারেই নিয়েছেন তিনটি চার। শেষ পর্যন্ত সেই আহমাদজাইয়ের বলেই ২৬ রানে আউট হলেন স্টার্লিং।

    এরপর দলের ৪১ রানে অধিনায়ক পোর্টারফিল্ডকে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ নবী। অ্যান্ড্রু বালবিরনি ধুঁকতে ধুঁকতে ৪ রানে আউট, সেটিও সেই আহমাদজাইয়ের বলেই। রশীদ খান তখনো বোলিংয়ে আসেননি। অভিষেক টেস্টটা একদমই ভুলে যাওয়ার মতো গিয়েছিল তাঁর, অবশেষে একটু হলেও তা ভুলতে পারলেন আজ। ম্যাককুলাম তাঁর প্রথম বলেই গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড, এক বল পর এলবিডব্লু পয়েন্টার। রশীদ খান ওই দুই উইকেটই পেয়েছেন, এরপর আবার নবির আঘাত। অভিজ্ঞ কেভিন ও'ব্রায়েনকে ফিরিয়ে দিয়েছেন ১২ রানে। ৫৯ রানে তখন ৬ উইকেট নেই আয়ারল্যান্ডের।  থমসনকে ফিরিয়ে তৃতীয় উইকেট পেয়েছেন নবী, চায়নাম্যান ওয়াকার সালেমখেই এসে পেয়েছেন দুই উইকেট। এরপরেই শেষ উইকেটের প্রতিরোধ, যেটি ভাঙল আহমাদজাইয়ের বলে ডকরেল উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ায়।

     

     

    আফগানিস্তানের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি, ইহসানউল্লাহকে হারিয়ে ফেলেছে ৭ রানে। মোহাম্মদ শাহজাদ তাঁর মতোই খেলছিলেন, ৬৪ বলে ৪০ রান করার পর তাঁকেও ফিরিয়েছেন ক্যামেরন ডো। রহমত শাহ ও হাশমাতউল্লাহ শহিদি অবশ্য অবিচ্ছিন্ন থেকেই বাকি দিনটা পার করে দিয়েছেন।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন