• " />

     

    এই তো সেই সৌম্য!

    এই তো সেই সৌম্য!    

    ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’-এ প্রথম ডাকেই তাঁকে দলে নিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চলতি বিপিএলের প্রথম লেগের খেলায় নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেন নি সৌম্য সরকার। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে প্রথম ৫ ম্যাচ খেলে করেছিলেন সাকুল্যে ৬৭ রান। তবে দ্বিতীয় লেগের শুরুতেই স্বরূপে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন এই উদীয়মান তারকা ব্যাটসম্যান। টিটোয়েন্টির ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংয়ের দিনে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে করেছেন অপরাজিত ৫৮ রান, দলকেও এনে দিয়েছেন ৯ উইকেটের অনায়াস জয়।

     

     

     

    চোটের কারণে খেলতে পারেন নি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে। এর আগে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দ. আফ্রিকা সফরেও সে অর্থে জ্বলে নি সৌম্যর ব্যাট। দ. আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠের টিটোয়েন্টি সিরিজে করেছিলেন যথাক্রমে ০, ৭ ও ২১ রান। আজকের আগে সর্বশেষ সৌম্যর ব্যাট হেসেছিল প্রোটিয়াদের বিপক্ষে একদিনের সিরিজে। ৩ ম্যাচের সিরিজে শেষ দুটোতেই শতকের খুব কাছকাছি চলে গিয়েছিলেন। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের একটি ম্যাচে ৫৪ রানের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে গিয়ে পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ওডিআই শতক।

     

    আজকের ম্যাচে ১১২ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সঙ্গী জহুরুল ইসলামের (৪৭) সাথে গড়েছেন ১০২ রানের জুটি, চলতি আসরে উদ্বোধনী জুটিতে প্রথম শতকও এটিই। জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ার আগে ৫৬ বল থেকে ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংসটি সৌম্য সাজান ৮টি চার ও ১টি ছয়ের মারে।

     

    আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটা মূলত শুরু করেছিলেন গত বিশ্বকাপের মাঠ থেকেই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি অর্ধশতক ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে করেছিলেন ৩০-৪০ করে রান। রানের অংকে খুব আহামরি কিছু না হলেও ব্যাট হাতে মুগ্ধতা ছড়ানোর আগমনী বার্তাটা সৌম্য তখনই দিয়েছিলেন। একদিনের ক্রিকেটে ১৬ ম্যাচ থেকে ৬৯২ রান করেছেন ঈর্ষণীয় ৪৯.৪২ গড়ে। টেস্ট আর টিটোয়েন্টিতে গড়টা অবশ্য এখনও পর্যন্ত খুব আশাপ্রদ নয়। টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপকে সামনে রেখে বিপিএলের মাঠে সৌম্যর ব্যাটে হাসিটা আরও চওড়াই দেখতে চাইবে বাংলাদেশ।