• ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯
  • " />

     

    • ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯

    বিশ্বকাপে সহযোগী সদস্য দেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে বললেন রশিদ

    একটা সময় আইসিসির সহযোগী সদস্য ছিল আফগানিস্তান। এখন রশিদ খানরা পূর্ণ সদস্যের একটি। বাছাইপর্ব পেরিয়ে এবারে বিশ্বকাপেও খেলেছেন তারা। আফগানরা খেললেও ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফরম্যাটের কারণে খেলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ডসহ আরও অনেক সহযোগী সদস্য দেশ। কিছুদিন আগেই দায়িত্ব পাওয়া আফগানদের নতুন অধিনায়ক রশিদ আশা করছেন, ২০২৩ বিশ্বকাপে বেশি থেকে বেশি সহযোগী সদস্য অংশ নিতে পারবে। 

    সহযোগী সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়লে বিশ্বকাপটা আরও বেশি জমবে, বিশ্বাস রশিদের, ‘অবশ্যই বেশি দল অংশ নিলে টুর্নামেন্ট বেশি জমবে। সহযোগী দেশগুলো যদি বড় দলকে হারিয়ে দেয়, যেমনটা আয়ারল্যান্ড হারিয়েছিল ইংল্যান্ডকে; তাহলে ব্যাপারটা দারুণ হবে। সহযোগী দেশরাও বড় মঞ্চে ভালো করার সামর্থ্য রাখে। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে। তাদের স্বপ্ন বিশ্বকাপে খেলা। আমিও চাই তারা বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে খেলুক। তাদের ক্রিকেট কতটা এগিয়েছে, সেটা বিশ্বকাপের মঞ্চেই প্রমাণ হবে। এই সুযোগ তাদের দেশের ক্রিকেটকেও অনেকটা এগিয়ে নেবে।’ 

    বাছাইপর্ব পেরিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলতে হয়েছে আফগানিস্তানকে। বিশ্বকাপে একটিও জয় পায়নি তারা। পরের বিশ্বকাপে খেলা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, মানছেন রশিদ, ‘এটা আমদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের প্রতিভা আছে ঠিকই, কিন্তু আরও উন্নতি করতে হবে। বিশ্বকাপে আমরা ভালো করতে পারিনি। এখনই অবশ্য ২০২৩ বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবতে চাই না। সবার মনোযোগ আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। এই বিশ্বকাপে আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আগের চেয়ে উন্নতি করেছি। যে ভুলগুলো হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে, সেটাকে শুধরে নিতে হবে। টি-টোয়েন্টির জন্য আমাদের সেরা দলটাই আছে।’ 

    বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে বড় দলের সাথে সিরিজ খেলার বিকল্প নেই, জানালেন রশিদ, ‘বড় দলের সাথে কীভাবে প্রতিযোগিতা করতে হয় সেটা শিখতে হবে। ২০২৩ বিশ্বকাপের জন্য ৫০ ওভারের ফরম্যাটের দিকে মনোযোগ দিতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর। যত বেশি ম্যাচ খেলব বড় দলের সাথে, ততো বেশি লাভবান হব। আমরা তাদের সাথে সিরিজ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’