• অ্যাশেজ ২০১৯
  • " />

     

    • অ্যাশেজ ২০১৯

    আর্চার-স্মিথ লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন ব্রড

    জফরা আর্চারের এক বাউন্সারই স্টিভ স্মিথকে ম্যাচের মাঝপথে বদলি হতে বাধ্য করেছিল। পরবর্তীতে ঘাড়ে বল লাগার সেই ঘটনায় স্মিথ খেলেননি হেডিংলি টেস্টেও। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফিরছেন তিনি। ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড বলছেন, চতুর্থ টেস্টে আবারও স্মিথ-আর্চার লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন তিনি। 

    সুস্থ হয়ে স্মিথের ফেরায় খুশি ব্রডও, ‘আবার স্মিথকে মাঠে ফিরে পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার। কেউ চায় না মাথার ইনজুরির কারণে কোনো ক্রিকেটার ম্যাচ মিস করুক। স্মিথের ওই আঘাতটা খুবই বাজে ধরনের ছিল। সে ফিরে আসায় সবাই খুশি।’ 

    আর্চার যদিও স্মিথকে একচুলও ছাড় দেবেন না, মনে করিয়ে দিলেন ব্রড, ‘টেস্ট ক্রিকেট কঠিন জায়গা। কেউ কাউকে ছাড় দেবে না। আমি নিশ্চিত স্মিথ যখন ক্রিজে আসবে তখন আর্চার রুটকে বলবে তাকে বোলিংয়ে আনতে। আমি সেই লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’

    আর্চার-স্মিথের এমন লড়াই টেস্ট ক্রিকেটকে আরও বেশি উপভোগ্য করে তুলছে বলেই বিশ্বাস ব্রডের, ‘স্মিথ ৭০ রানে দারুণ খেলছিল। ওই মুহূর্তে হুট করেই ৯৫ মাইল বেগে বল করল আর্চার। এটাই টেস্টের সৌন্দর্য। গ্যালারি থেকে এমন লড়াই দেখাটাও দারুণ ব্যাপার। স্মিথ প্রথম বলে আউট হলে হয়তো আর্চার তাঁর বিপক্ষে বোলিংই পাবে না। কিন্তু স্মিথের গড় ৬০, তাই ইনিংসের অনেকটা সময়জুড়েই দুইজনের লড়াই দেখা যাবে।’ 

     

     

    ব্রডের সাথে এবারের অ্যাশেজে ডেভিড ওয়ার্নারের লড়াইয়ে বেশিরভাগ সময়ই জিতেছেন ব্রড। তিন টেস্টে এখন পর্যন্ত চারবার ওয়ার্নারকে আউট করেছেন তিনি। ওয়ার্নারের সাথে লড়াইটাও দারুণ উপভোগ করছেন ব্রড, ‘এখন পর্যন্ত লড়াইটা দারুণ কেটেছে, খুব উপভোগ করেছি। এই সিরিজের আগ পর্যন্ত আমার বিপক্ষে তাঁর রেকর্ড ভালো ছিল। আমি সবসময় চাই বল তার ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপে যাক। কিন্তু সে ওটা বেশি হতে দেয়না। এই সিরিজে তাই স্টাম্প বরাবরই বল করেছি। এটা কাজে দিয়েছে, পিচও নতুন বলের বোলারদের পক্ষেই ছিল।’