• অ্যাশেজ ২০১৯
  • " />

     

    'আর্চার ভেবেছিল সে আমার মাথা ভেঙে ফেলবে'

    ওভালে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন ম্যাথু ওয়েডই। সেঞ্চুরি করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি তিনি। এই সেঞ্চুরি করার পথে ইংল্যান্ড পেসার জফরা আর্চারের সাথে লড়াইটা ছিল দেখার মতো। আর্চারের আগুন ঝড়ানো এক স্পেল কোনমতে সামলেছেন ওয়েড-কামিন্স জুটি। ম্যাচ শেষে ওয়েড বলছেন, আর্চার হয়তো ভেবেছিলেন ওই স্পেলে তাঁর মাথাই ভেঙে ফেলবেন! 

    আট ওভারের এক স্পেলে ওয়েডকে নাজেহাল করে ছেড়েছিলেন আর্চার। সর্বোচ্চ গতি উঠেছিল ঘণ্টায় ১৫৪ কিলোমিটার পর্যন্ত! ওয়েড-কামিন্স জুটি দারুণভাবেই পার করেছেন সেই স্পেলটা। এই সময় ওয়েড-আর্চারের মাঝে খানিকটা কথার লড়াইও চলেছে। একটা বাউন্সার সামলাতে গিয়ে কাঁধে আঘাতও পেয়েছিলেন ওয়েড।

    ওয়েড বলছেন, আর্চারের ওই স্পেলটা যেন শেষই হচ্ছিল না, ‘আমরা তো ভেবেছিলাম তার গতি কয়েক ওভার পর কমে আসবে, সেরকম কিছুই হয়নি। আমি কামিন্সকে বলছিলাম, ‘ও তো জোরে বল করেই যাচ্ছে!’ কামিন্স আমাকে বলেছিল, ‘তুমি এটা সামলাতে পারবে।’ আমি ভাবলাম, এ তো চার ওভার ধরেই শুনছি! যদিও তাকে সামলাতে খুব বেশি কষ্ট হয়নি। আর্চার হয়তো ভেবেছিল সে আমার মাথা ভেঙে দেবে কিংবা আউট করবে!’ 

    লর্ডসে স্টিভ স্মিথের সাথেও আর্চারের এমন দ্বৈরথ দেখেছে এবারের অ্যাশেজ। বোলারদের সাথে ব্যাটসম্যানদের এমন লড়াইটা টেস্ট ক্রিকেটের জন্যই ভালো, মানছেন ওয়েড, ‘এরকম লড়াই টেস্টের জন্য দারুণ ব্যাপার। প্রথমবার অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে এসে এমন কিছুই আশা করছিলাম। বিশেষ করে আর্চার এমনটা করবে, সেরকম প্রত্যাশাই ছিল। টেস্টে, বিশেষ করে অ্যাশেজ সিরিজে এরকম লড়াইয়ের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকবে হবে।’

     

     

    বিগ ব্যাশে আর্চার-ওয়েড হোবার্টের হয়ে একই দলে খেলেন। অ্যাশেজের এই দ্বৈরথের প্রভাব কি তাদের বন্ধুত্বে পড়বে? ওয়েড অবশ্য এমনটা ভাবছেন না, ‘মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঝে দ্বৈরথ থাকবেই। কিন্তু সেটা মাঠের বাইরে গেলে সবাই ভুলে যায়। আশা করি সে আবার হোবার্টের হয়ে খেলতে আসবে।’