• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    প্রাগের ড্রেসিংরুম নোংরা করে রেখে গেলেন বার্সা ফুটবলাররা

    রাশিয়া বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের পর জাপানের ফুটবলারদের ড্রেসিংরুম পরিষ্কার করে স্টেডিয়াম ছাড়ার ছবিটা বেশ আলোড়ন তুলেছিল। ঝকঝকে সেই ড্রেসিংরুমে জাপানিজরা রেখে গিয়েছিল ‘ধন্যবাদ’ বার্তাও। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বার্সেলোনার ড্রেসিংরুমের ছবি, তবে সেটা জাপানের ঐ ঘটনার উল্টো কারণেই। স্লাভিয়া প্রাগের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচের পর নোংরা অবস্থায় ড্রেসিংরুম ফেলে চলে যাওয়ার সমালোচনার মুখে পড়েছেন লিওনেল মেসিরা। 

    বার্সার ড্রেসিংরুমের এ কী হাল! 

     

    সিনোবো স্টেডিয়ামে স্লাভিয়া প্রাগের বিপক্ষে ২-১ জয়ের জয় নিয়ে ঘরে ফিরেছে বার্সা। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বার্সার ড্রেসিংরুমের একটি ভিডিও ফুটেজ। সেখানে দেখা যায়, রুমকে খুব নোংরা হালে রেখেই স্টেডিয়াম ছেড়েছেন বার্সার ফুটবলাররা। রুমে যত্রতত্র পড়ে আছে আধ খাওয়া পানীয়র বোতল-গ্লাস, প্লাস্টিক, কাগজসহ অনেক কিছু। আছে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের উচ্ছিষ্ট, মেঝেতে ছড়িয়ে আছে ফ্রিজ থেকে বের করা বরফও। বাথরুমেরও বেহাল দশা, ছড়িয়ে আছে ময়লা। এমনকি ম্যাচের ট্যাকটিকাল জিনিসপত্র যে কাগজে লেখা হয়েছিল, সেটাকেও ছিড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। 

    ড্রেসিংরুমের এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্সার ফুটবলারদের সমালোচনায় পোস্ট দিয়েছেন অনেকেই। কেউ লিখেছে, ড্রেসিংরুমের এমন হাল করে মাঠ ছাড়ার আগে বার্সার ফুটবলারদের চিন্তা করা উচিত ছিল। অনেকেই বলছেন, বার্সা আসলে প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখায়নি এমন কাজ করে। 

    তবে কেউ কেউ বলেছেন, এটা আসলে ফুটবলারদের কাজ না। কারণ তারা অনেক আগেই ড্রেসিংরুম ছেড়ে বের হয়ে গিয়েছিলেন। অন্য কর্মকর্তারাই যাওয়ার আগে ড্রেসিংরুমের এমন হাল করে গেছেন বলে ধারণা তাদের।

    নোংরা ড্রেসিংরুমের এই ভিডিও ভাইরালের পর বার্সার পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি কাজটা আসলে কারা করেছিলেন। 

    একটি আবেদন

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    প্রিয় পাঠক, কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। পাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ