• বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ
  • " />

     

    কিক অফের আগে : ফিলিস্তিনে ভাগ্য ফিরবে বাংলাদেশের?

    কবে, কখন
    বাংলাদেশ-ফিলিস্তিন 
    গ্রুপ এ 
    বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ
    ১৫ জানুয়ারি বিকাল বিকাল ৫.০০


    বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে যেখানে শেষবার যাত্রা থেমেছিল, সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের মিশন। ২০১৮ সালে সেমিফাইনালে এই ফিলিস্তিনের কাছে হেরেই বাদ পড়েছিল জেমি ডের দল। পরে ফিলিস্তিন টুর্নামেন্ট শেষ করেছিল চ্যাম্পিয়ন হয়ে।

    দেড় বছরে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি বাংলাদেশ ফুটবল দলের। তবে ফিলিস্তিন এবার এসেছে অন্যরকম দল নিয়ে। যে দলের সঙ্গে নেই মূল কোচ নুরুদ্দিন আলিও। তার জায়গায় সহকারি কোচ তাবুদ আকরাম হেড কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। ফিলিস্তিন বাংলাদেশে এসেছে জাতীয় দলের মাত্র ৬ জন ফুটবলার নিয়ে। বাকিদের বেশিরভাগই খেলেন স্থানীয় লিগে, আর দুইজন ফুটবলার ক্লাব ফুটবল খেলেন জার্মানিতে।

    মূল দল না এলেও এই ফিলিস্তিনও বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরীক্ষা। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসাবে এই টুর্নামেন্টের দলগুলোর ভেতর সবার ওপরে ফিলিস্তিন।  দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা- সবদিক দিয়েই এগিয়ে আছে তারা। বাংলাদেশ কোচ জেমি ডেও ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পরিষ্কার করেই বলেছেন, ফেভারিট ফিলিস্তিনই।

    জেমি ডে অবশ্য নির্ভার থাকতে পারছেন না। নাবিব নেওয়াজ জীবন ও টুটুল হোসেন বাদশা ইনজুরির কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ পড়েছেন। এমনিতে গোলের সামনে স্ট্রাইকারদের নাজেহাল অবস্থা দেশের ফুটবলের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ। এর ওপর জীবনকে হারিয়ে এখন খেলার ধরনেও হয়ত কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে ডেকে।

    ডে বলছেন সেমিফাইনালে ওঠাই তার দলের প্রাথমিক লক্ষ্য। আপাতদৃষ্টিতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ড্রটাই বাংলাদেশের জন্য ভালো ফল হিসেবে ধরে নিতে পারেন তাই। সেরকম কিছু ঘটলে ১৯ তারিখ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধরনের আত্মবিশ্বাস পুঁজি হবে জামাল ভুঁইয়াদের। 

    বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ 
    তপু বর্মন প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন। নিশ্চিতভাবেই একাদশে ফিরছেন তিনি। ইয়াসিন খানের সঙ্গে সঙ্গে সেন্টারব্যাক পজিশনে জুটি গড়ার কথা তার। জীবনের বদলে মতিন মিয়া খেলবেন ফরোয়ার্ড হিসেবে। তবে মূল স্ট্রাইকারের ভূমিকায় তার খেলার সম্ভাবনা কম। আবাহনীর সাদ উদ্দিন খেলতে পারেন স্ট্রাইকারের ভূমিকায়।

    জীবনের ইনজুরি কপাল খুলে দিতে পারে মতিনের। বসুন্ধরা কিংস ফরোয়ার্ড গতবার লিগে দেশীদের ভেতর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল করেছিলেন। তবে জাতীয় দলে এই সময়ে হাতে গোণা অল্প কয়েক ম্যাচে সুযোগ মিলেছে তার। ডে মনে করছেন মতিনের নিজেকে প্রমাণ করার এটাই মোক্ষম সুযোগ, "এতোদিন মতিন অনেক ধৈর্য্য পরীক্ষা দিয়েছে। এখন সময় এসেছে মাঠে নেমে নিজেকে প্রমাণ করার।" 

    একাদশ 
    আশরাফুল ইসলাম রানা, রায়হান হাসান, তপু বর্মন, ইয়াসিন খান, রহমত মিয়া, জামাল ভুঁইয়া, সোহেল রানা, মামুনুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাদ উদ্দিন, মতিন মিয়া