• বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    তামিমকে তামিমের মতো থাকতে দিতে বললেন ম্যাকেঞ্জি

    দল যখন পারফর্ম করবে না, বা ক্লিক করবে না, নিশ্চিতভাবেই খেলার ধরন থেকে শুরু করে মানসিকতা- আলোচনা হবে অনেককিছু নিয়েই। এবং সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও থাকবেন কেউ কেউ। টি-টোয়েন্টিতে তামিম ইকবাল মোটামুটি আছেন এখন সেরকম অবস্থায়। এক বছর পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফিরেছেন তিনি পাকিস্তান সফরে, যেখানে প্রথম দুই ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্সের পর এরই মাঝে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। 

    তামিমের ব্যাটিং, কিংবা ব্যাটিং অর্ডারে তার ভূমিকা- এসব নিয়ে প্রশ্ন তাই উঠছেই। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে হয়তো সেসব মাথা পেতেই নেবেন তিনি। সঙ্গে কোচদেরও জবাব দিতে হচ্ছে, তামিমের ব্যাটিং নিয়ে। আগেরদিন হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছিলেন, তামিমের দুটি ইনিংসই ভাল ছিল, তবে উন্নতির জায়গা আছে। আর ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি বলছেন, তামিমকে তার মতো করেই থাকার একটু সুযোগ করে দিতে। আর বলছেন, তামিমের আশেপাশে যারা আছেন, পারফর্ম করতে হবে তাদেরও। 

    দুই ম্যাচেই তামিম রান পেয়েছেন, প্রথম ম্যাচে ৩৯ রানের পর পরের ম্যাচে করেছেন ৬৫। এ দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৩৪ ও ৫৩টি বল খেলেছেন তিনি। ম্যাকেঞ্জি বলছেন, তামিম ইতিবাচক মানসিকতার অবস্থাতেই আছেন বলে ধারণা তার। তবে এ ইনিংসগুলিকে বড় করতে হবে আরেকটু। 

    “আমার মনে হয় তাকে তার মতো করে থাকার একটু সুযোগ করে দিতে হবে”, বলছেন বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ, “সে অনেক বছর ধরেই বাংলাদেশের সেরা পারফর্মারদের একজন। চোট আর কয়েকটি বিষয় থেকে সে ফিরে আসছে, আমার মনে হয় সে থিতু হচ্ছে ধীরে ধীরে। তার রান পাওয়াটা আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। আমরা সবাই জানি সে কী করে, কী করতে পারে।” 


    আরও পড়ুন- টি-টোয়েন্টিতে নিজের টেকসই 'ব্র্যান্ড'টা খুঁজে পাবেন তামিম?


    “আপনারা গত বিপিএলের ফাইনালে তার ইনিংস দেখেছেন। আমরা সবাই তার কাছ থেকে এমন ইনিংস আরও চাই। তবে তার আশেপাশের মানুষদেরও পারফর্ম করতে হবে। ব্যাটিং অর্ডার ও দলের আশেপাশের মানুষদের ওপর ভরসা থাকলে আরও বেশি শট খেলা যায়। তাকে ফিরতে দেখে আমি আনন্দিত, সে ইতিবাচক মানসিকতার ফ্রেমে আছে বলেই মনে হচ্ছে। 

    লাহোরে দুটি টি-টোয়েন্টিতেই তামিম উইকেট ধরে রেখেছিলেন, অবশ্য রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ভুগিয়েছে তাকে। দুই ইনিংসেই হয়েছেন রান-আউট। ফলে ইনিংস দুটি রয়ে গেছে অসম্পূর্ণই। ম্যাকেঞ্জি বলছেন, এই ইনিংসগুলিকেই আরেকটু বড় করতে, “সে ৩০-৪০ এর পর ৬০-এর মতো রান করেছে। আশা করি এটি তাকে এগিয়ে যেতে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। এবং সে ওই ষাটের মতো ইনিংসগুলিকে ৫৫ বলে ৮০ রানের মতো কিছুতে নিয়ে যাবে। সে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। সে জানে তার কী করা উচিৎ, এবং সে বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। 

    “এটা একটা প্রক্রিয়া, তবে আমরা আরেকটু ভয়ডরহীন ব্যাটিংয়ের খোঁজ করছি।” 

    এর আগে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির পর ডমিঙ্গো বলেছিলেন, অসময়ে উইকেট হারানো তামিমের যাত্রায় বাধা দিয়েছে, “আমরা উইকেট হারিয়েছি। এ কারণে তার খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসাটা শক্ত ছিল, কারণ অন্যরাও বলের সমান হারে রান তুলছিল। এখানে কাজ করতে হবে।” 

    “তার সঙ্গে আমার প্রথম কাজ এটি, আমি দেখতে চাই সে টি-টোয়েন্টিতে কেমন করে। আমাদের সবারই উন্নতির জায়গা আছে, এবং আলোচনা চলছে। আশা করি সে নিজের খেলাকে পরের ধাপে নিয়ে যেতে পারবে, কিন্তু সব বিভাগেই কাজ করার আছে।” 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন