• বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর
  • " />

     

    টেস্ট স্কোয়াডে তামিমের সঙ্গে ফিরলেন সৌম্য-রুবেল-শান্ত, বাদ মোস্তাফিজ

    টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট স্কোয়াডেও ফিরলেন তামিম ইকবাল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াডে আছেন এই ওপেনার। মুমিনুল হককে অধিনায়ক রেখে ঘোষিত দলে ডাক পেয়েছেন সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত ও রুবেল হোসেন, ভারত সফরের স্কোয়াডে ছিলেন না যারা। বাদ পড়েছেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও ওপেনার ইমরুল কায়সে। ভারত সফরের স্কোয়াডে থাকলেও দুই টেস্টের একটিতেও খেলেননি এই পেসার, এবার বাদই পড়লেন তিনি। 

    ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের পর আবার দলে ফিরলেন তামিম। মাঝে আফগানিস্তানের সঙ্গে একমাত্র টেস্ট ও ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তিনি, এরপর ভারত সফর থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন নিজের দ্বিতীয় সন্তানের আগমণের কারণে। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফেরার পর এবার টেস্টেও ফিরলেন তিনি। যেদিন দল ঘোষণা হলো, সেদিনই বিসিএলে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ২২২ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। 


    স্কোয়াড 
    মুমিনুল হক (অ), তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন দাস, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, আল-আমিন হোসেন, রুবেল হোসেন, সৌম্য সরকার 

    বাদ পড়লেন

    সাদমান ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেক হোসেন ও ইমরুল কায়েস (চোট), মুশফিকুর রহিম (নিরাপত্তাজনিত কারণ) ও মোস্তাফিজুর রহমান

    দলে এলেন 

    তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকার, রুবেল হোসেন


    ভারত সফরের স্কোয়াড থেকে দলে আছে কয়েকটি পরিবর্তন। চোটের কারণে দলে নেই ওপেনার সাদমান ইসলাম, ইমরুল কায়েস ও স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ভারত সফরে একবারও দুই অঙ্ক না ছোঁয়া ইমরুল পড়েছেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে। এদের সঙ্গে নেই অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনও, যিনি ভারত সফরের মাঝপথেই ফিরে এসেছিলেন দেশে। আর নিরাপত্তাজনিত কারণে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া মুশফিকুর রহিমও নেই আগের সিরিজের স্কোয়াড থেকে। 

    সৌম্য সরকার শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০১৯ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এরপর জাতীয় লিগে ২টি ম্যাচ খেলেছিলেন শেষ মৌসুমে, সর্বোচ্চ ৫০ রানের ইনিংসসহ করেছিলেন ৮৩ রান। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে ১ ম্যাচ খেলে করেছিলেন ২৪ রান। তবে সৌম্যকে বিবেচনা করা হতে পারে অলরাউন্ডার হিসেবে, সীমিত ওভারে তিনি নিয়মিত বোলিং করছেন সাম্প্রতিক সময়ে। 

    ওপেনিংয়ে জায়গা ধরে রেখেছেন সাইফ হাসান, আর টি-টোয়েন্টির পর টেস্টেও ফিরেছেন শান্ত। ২০১৮ সালে সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২ টেস্টের ক্যারিয়ারের শেষটি খেলেছিলেন এই বাঁহাতি। দারুণ বিপিএল কাটানোর পর পাকিস্তান সফরের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে জায়গা পেলেও ম্যাচ খেলা হয়নি এই বাঁহাতির।

    ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে শেষ টেস্ট খেলা রুবেলকেও ডেকেছেন নির্বাচকরা। এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজের স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে। মাঝের সময়ে রুবেল অবশ্য এক ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া ছাড়া আহামরি কিছু করেননি, গত জাতীয় লিগে সব মিলিয়ে ৩১ গড়ে নিয়েছিলেন ১৩টি উইকেট। রুবেল ছাড়া পেস ব্যাটারিতে বাংলাদেশের অন্য অপশন এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহি ও আল-আমিন হোসেন। স্বীকৃত স্পিনার হিসেবে তাইজুল ইসলামের সঙ্গী নাঈম হোসেন। 

    আর ভারত সফরে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা মুমিনুলের ওপরই ভরসা রাখা হচ্ছে এবারও, সেটি আগেই জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন।