• বিসিএল ২০২০
  • " />

     

    মাহমুদউল্লাহ ঝড়ের দিন সেঞ্চুরি নাফীস-শামসুরের

    প্রথম ইনিংসটা দুঃস্বপ্নের কেটেছিল শাহরিয়ার নাফীসের, মুখোমুখি প্রথম বলেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন। ভালো শুরু করেও ইনিংস বড় করতে পারেননি শামসুর রহমান ও মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় ইনিংসে তিন জনই ঘোঁচালেন অতৃপ্তি, সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিন জনই। আর তাতেই রান পাহাড়ে উঠেছে বিসিবি সাউথ জোন, শেষ দিনে নর্থ জোনের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ ম্যাচ বাঁচানোর। এর মধ্যে আট হাজার রানের মাইলফলকও হয়ে গেছে নাফীসের।

    সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আট হাজার রান থেকে ৫৪ রান দূরে ছিলেন নাফীস। প্রথম ইনিংসে কোনো রান না করায় দূরত্বটা ওই ৫৪ই ছিল। শামসুরের সঙ্গে জুটিতে সকাল থেকেই দুজন হতাশ করে যাচ্ছিলেন এবাদতদের। ১১১ বলে ফিফটি পেয়েছেন শামসুর, তার পর নাফীসও ৫০ ছুঁয়েছেন ১২২ বলে। লাঞ্চের পরও দুজনকে অবিচ্ছিন্ন করা যায়নি। সেঞ্চুরিটা আগে পেয়েছেন নাফীসই, তার আগে অবশ্য প্রথম শ্রেণিতে আট হাজার রান হয়ে গেছে। ২৩৮ বলে পেয়েছেন প্রথম শ্রেণিতে তার ১৫তম সেঞ্চুরি, তার কিছুক্ষণ পর শামসুরও সেঞ্চুরি পেয়েছেন ২১৮ বলে। চা বিরতি পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন ছিলেন দুজন।

    চা বিরতির পর ১১১ রান করে আউট হয়ে যান নাফীস, শামসুরের সঙ্গে ২১১ রানের জুটিও ভেঙেছে সেই সাথে। এরপর মাহমুদউল্লাহ নেমেই শুরু করেছেন ঝড়, ৩৪ বলে পেয়েছেন ফিফটি। এর মধ্যে শামসুরও ১০৯ রান করে আউট হয়ে গেছেন আরিফুলের বলে। আগের দিন আহত অবসরে যাওয়া এনামুল হক বিজয় নেমেও মনযোগ দিয়েছেন রান তোলায়। তবে মাহমুদউল্লাহ ছিলেন বেশি আগ্রাসী, এরপর ৭০ বলে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। এর মধ্যেই ৩৯৮ রান উঠে গেছে নর্থ জোনের। মাহমুদউল্লাহ্র সেঞ্চুরির পরেই ইনিংস ঘোষণা করে দিয়েছে সাউথ জোন। লিড হয়ে গেছে ৪৫৩ রানের, কোনো উইকেট না হারিয়ে ২২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে নর্থ জোন।