• বিসিএল ২০২০
  • " />

     

    ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেন না মাহমুদউল্লাহ

    বিসিএল ফাইনাল ২০২০
    সাউথ জোন-ইস্ট জোন
    প্রথম দিন শেষে
    সাউথ জোন ৩০৫/৬ (রাব্বি ৮৬, এনামুল ৭৬; রুয়েল ২/৫৮)



    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তার জায়গা হয়নি। বলেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করে আবার ফিরতে চান টেস্ট দলে। কিন্তু ঘরোয়া লিগে নিজেকে প্রমাণ করার প্রথম সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি আজ । সাউথ জোনের হয়ে ৪ বল খেলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। ইস্ট জোনের বিপক্ষে ফাইনালে তার দল সাউথ জোন অবশ্য বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে। প্রথম দিন শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান করেছে তারা।

    দুই ওপেনার ফজলে মাহমুদ রাব্বি এবং এনামুল হকের ব্যাটে দিনের শুরুটা দারুণ হয়েছিল সাউথ জোনের। প্রথম সেশনে এই দুই ব্যাটসম্যানের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ে কোনও উইকেট হারায়নি তারা। তবে উদ্বোধনী জুটিতে যখন আরও বড় কিছুর প্রত্যাশায় বুঁদ ছিল সাউথ, তখনই ছন্দপতন! ৭৬ রান করে অল্পের জন্য রান আউট এনামুল। 

    দারুণ এই জুটি ভাঙার পর নতুন ব্যাটসম্যান আল আমিন জুনিয়রকে সাথে নিয়ে এগুচ্ছিলেন রাব্বি। তবে ৮৬ রান করে যখন অনেকটা সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে, সাকলাইন সজিবের লেগ স্টাম্প লাইনে থাকা বলটিকে তখনই উইকেট ছেড়ে বেড়িয়ে এসে খেলার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ব্যাটের নিচের অংশে লেগে মিড উইকেটে থাকা ইমরুল কায়েসের ক্যাচ হয়ে ফিরলেন তিনি। রাব্বি ফেরার পর আল আমিনও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। ৩৯ রান করে তিনি ফেরার পরের ওভারেই মাহমুদউল্লাহকে হারিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়ে সাউথ জোন। আবু হায়দার রনির বলে ইনসাইড দ্য লাইন খেলতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি।

    ছয় নম্বরে নেমে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসানেরও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকা হয়নি। মাত্র ১৮ রান করে রুয়েল মিয়ার বল শূন্যে পাঠিয়ে তিনিও ইমরুলের ক্যাচ হয়ে ফেরেন। ষষ্ঠ উইকেটে শামসুর রহমান এবং মাহেদি হাসানের ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। শেষ বেলায় মাহেদি কিছুটা তেড়েফুঁড়ে খেলার চেষ্টা করেছেন, ৩৫ বল থেকে ৪ চার এবং ১ ছয়ে ৩৬ রান করেছেন তিনি। তবে খাপছাড়া শট খেলে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসেছেন তিনিও। দিন শেষে শামসুর ৩৭ এবং ফরহাদ রেজা ৮ রানে অপরাজিত আছেন।