• বিসিএল ২০২০
  • " />

     

    বিজয়, নুরুল, মাহেদীর সেঞ্চুরির দিনে তাসকিনের ৫ উইকেট

    সাউথ জোন-ইস্ট জোন

    ১ম দিন শেষে

    সাউথ জোন

    ৮৭ ওভারে ৪৪৩/৬ (এনামুল ১২৯, নুরুল ১৫৫*, মাহেদী ১১২)


    বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক দিনে সর্বোচ্চ রান কত, সেটার কোনো রেকর্ড নেই। তবে সাউথ জোনের আজকের রান ওপরের দিকেই থাকার কথা। কক্সবাজারে বিসিএলের প্রথম দিনেই ৪৪৩ রানের পাহাড়ে উঠে গেছে সাউথ জোন। এনামুল হকের পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন নুরুল হাসান ও মাহেদী হাসান। এনামুল, মাহেদী আউট হয়ে গেলেও ডাবল সেঞ্চুরির আশা নিয়ে এখনো আছেন নুরুল।

    অথচ টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্ট জোনের অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। শুরুটাও ভালো হয়েছিল তাদের, দ্বিতীয় ওভারেই রেজাউর রহমানের বলে ফিরে গিয়েছিলেন আগের ইনিংসেই সেঞ্চুরি পাওয়া শাহরিয়ার নাফীস। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া ফজলে রাব্বিও ফিরে গেছেন তাড়াতাড়িই। সেই ওভারেই রেজাউল তুলে নিয়েছেন তার তৃতীয় উইকেট, কোনো রান না করেই ফিরে গেছেন শামসুর রহমান। ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে সাউথ জোন বেশ বিপদেই। আল আমিনও টেকেননি বেশিক্ষণ, এরপর ৬১ রানে ৪ উইকেট হারায় সাউথ জোন।

    এনামুল আর নুরুলের পাল্টা আক্রমণের শুরু এরপর। দুজন মিলে এরপর ১৯০ রানের জুটি। ১৩৩ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছেন এনামুল। ১২৯ রান করে রান আউট হয়ে যাওয়ার পর আসল ঝড়টা শুরু করেছেন নুরুল আর মাহেদী। শেষের জনের ব্যাটই ছিল বেশি খাপখোলা, ৪৩ বলে ফিফটির পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৭৫ বলে। এর মধ্যে অবশ্য ১৪৯ বলে সেঞ্চুরি হয়ে গেছে নুরুলেরও। দুজন ১৭৫ রান তুলেছেন মাত্র ৩০ ওভারেরও কমে, প্রায় ছয় রান রেটে। ৮৫ বলে ১১২ রান কর আউট হয়েছেন মাহেদী, তবে ১৫৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন নুরুল।

     

                                                                      *******

    ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন-নর্থ জোন

    ১ম দিন শেষে

    সেন্ট্রাল জোন ১৭০ অলআউট

    নর্থ জোন ৮৯/৩


    ফিটনেসের জন্য তাসকিন আহমেদকে রাখা হয়নি টেস্ট দলে। তবে তাসকিন আহমেদ আজ সিলেটে আভাস দিলেন, ফর্মের দিক দিয়ে অন্তত তিনি নিজের কাজ করে যাচ্ছেন। নর্থ জোনের হয়ে আগুন ঝরিয়েছেন আজ। তার ৫ উইকেটেই ১৭০ রানে অলআউট হয়ে গেছে সেন্ট্রাল জোন।

    শুরুটা করেছিলেন সালাউদ্দিন শাকিল। প্রথম ওভারেই ফিরিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলে কিছুদিন আগে অভিষিক্ত নাঈম শেখকে। নাঈম ফিরে গেছেন কোনো রান না করেই। তাসকিন পরের ওভারেই যোগ দিয়েছেন শাকিলের সঙ্গে, নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নিয়েছেন মার্শাল আইয়ুবকে। নিজের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ওভারে এরপর তাসকিন যথাক্রমে তুলে নিয়েছেন আবদুল মজিদ ও তাইবুর রহমানকে। ৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছে সেন্ট্রাল জোন।

    এরপর শুভাগত ও রকিবুল মিলে একটু প্রতিরোধ গড়েছেন, দুজন মিলে যোগ করেছেন ৪৭ রান। এরপর ২১ রান করে শাকিলের পরে ফিরে গেছেন শুভাগত। জাকের আলী ১৯ রান করে ফিরে গেছেন সুমন খানের বলে। শহিদুল তাসকিনকে উপহার দিয়েছেন চতুর্থ উইকেট। রকিবুলই এক প্রান্ত ধরে রেখেছিলেন, ৭০ রানও করে ফেলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আরিফুলের বলে আউট হয়ে গেছেন। মুকিদুলকে ফিরিয়ে তাসকিন পেয়েছেন পঞ্চম উইকেট। ১৭০ রানেই গুটিয়ে গেছে সেন্ট্রাল জোন।

    নর্থ জোনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। রনি তালুকদার ও জুনাইদ সিদ্দিক মিলে তুলে ফেলেছিলেন ৬৯ রান। রনিকে ১৯ রানে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন শুভাগত, এরপর আরাফাত সানির বলে শুন্য রানে ফিরেছেন মাহিদুল অংকন। আর শেষ বিকেলে জুনাইদকে ৪৭ রানে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।