• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের অ্যানফিল্ডের আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন ক্লপ

    সাধারণত অ্যানফিল্ডের পরিবেশটা এমন হয়। সফরকারি দলগুলোকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে নিতে হয়। কিন্তু গতরাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলর প্রথম লেগ খেলতে গিয়ে ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে লিভারপুল। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে পরের লেগে জিততেই হবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের। ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ ইউর্গেন ক্লপ তাই অ্যানফিল্ডের আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন অ্যাটলেটিকোকে। 

    ক্লপের মতে ম্যাচে এখনো ভালোভাবেই টিকে আছে লিভারপুল। আগামী মাসে অ্যানফিল্ডে দ্বিতীয় লেগেই ফয়সালা হবে কে থাকবে ইস্তাম্বুলের পথে, আর কে ফিরবে বাড়ি “আজকের ফলটা ১-০, ৫-০ নয়। আমি মনে করি আমাদের মাঠে ম্যাচটি তাদের জন্য খুব একটা সহজ হবে না। অ্যাটলেটিকোর যেই সমর্থকরা সেই ম্যাচের টিকেট পাবে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, অ্যানফিল্ডে স্বাগতম।”

    ম্যাচের আগেই মাদ্রিদের পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে রেখেছিলেন অ্যাটলেটিকো সমর্থকেরা। মাঠের বাইরে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার ফ্লেয়ার উড়িয়ে অ্যাটলেটিকো সমর্থকরা লিভারপুলের ওয়ান্ডা প্রত্যাবর্তন সুখকর হতে দেয়নি। মাঠের বাইরের সেই ধারা চলে গ্যালারিতেও। 

    সমর্থকদের গর্জনে শুরু থেকেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ম্যাচ শুরুর চার মিনিটের মাঝেই পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। সেই গোল আর ম্যাচজুড়ে শোধ করতে পারেনি তারা। ম্যাচ হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ক্লপ তাই খেলার চেয়ে আনুষঙ্গিক এই বিষয়গুলো নিয়েই কথা বললেন বেশি, “আমরা অ্যানফিল্ডের পরিবেশ নিয়ে কথা বলি, সেখানে সমর্থকদের উন্মত্ততা নিয়ে কথা বলি। কিন্তু আজ আমরা অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের দেখলাম। তারা গতিময় ফুটবল দেখতে আসেনি, তারা ফলের জন্য এসেছে, এবং সেটা পেয়েই তারা খুশি। বিষয়টা অনেকটা এমন ছিল যে, তারা যখন চেয়েছে পেট্রোল পাম্পে যেতে পেরেছে, তবে আমাদের এক ট্যাঙ্ক জ্বালানি দিয়েই কাজ সারতে হয়েছে। সিমিওনেও মনে হয় খেলা খুব একটা দেখেনি, সে সমর্থকদের তাঁতিয়ে তুলতেই বেশি ব্যস্ত ছিল।”

    মাদ্রিদের উন্মাতাল গ্যালারির সামনে রেফারিকেও তার কাজ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছে বলে মনে করেন ক্লপ, “রেফারির জন্যেও আজকের মতো পরিবেশে ম্যাচ পরিচালনা করা কঠিন ছিল। রেফারির জন্য ম্যাচের ভাব বুঝাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    ২০১৮ সালে অতি উৎসাহী লিভারপুল সমর্থকদের মারমুখী আচরণের শিকার হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। মাঠের বাইরে হাজারো লিভারপুল সমর্থক সেদিন ফ্লেয়ার উড়িয়ে, জটলা তৈরি করে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছিল। মাঠের বাইরের সেই হট্টগোলের ফলে মনস্তাত্ত্বিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন সিটির খেলোয়াড়রা। মৌসুমের সবচেয়ে বড় হার নিয়ে সেদিন ঘরে ফিরেছিল গার্দিওলার দল। অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগে অ্যানফিল্ডের কাছে আরও একটি স্মরণীয় রাতই চাইবেন ক্লপ।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন