• বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর
  • " />

     

    পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্তে 'অটল' মুশফিক

    পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্তে অটল আছেন মুশফিকুর রহিম। তার সিদ্ধান্ত বিসিবি মেনে নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন মুশফিক। তবে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ইনিংস ব্যবধানে জয়ের পর বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান বলেছিলেন, “মুশফিকের পাকিস্তান যাওয়া উচিৎ”, “পরিবারের সঙ্গে দেশও গুরুত্বপূর্ণ”। 

    তবে এ ব্যাপারে নিজের অবস্থান আরেকবার পরিস্কার করলেন মুশফিক। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে তিনি বলেছেন, “পাকিস্তানে যাওয়ার ব্যাপারে আমি আমার অবস্থান পরিস্কার করেছি, বিসিবি এটি মেনেও নিয়েছে। 

    “পিএসএল ড্রাফটে আমার নাম না দিয়ে সম্মান দেখানোও উচিৎ ছিল তাদের। এটা খুবই পরিস্কার। ভবিষ্যতেও এটি বদলাবে না। যারা পাকিস্তানে যাচ্ছে, তাদের প্রতি শুভকামনা।” 

    বিপিএলের পরই পাকিস্তান যাওয়ার ব্যাপারে নিজের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন মুশফিক। বিসিবি তখন বলেছিল, এটি ক্রিকেটারদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তারা, কেউ না যেতে চাইলে আপত্তি করা হবে না। 

    তবে তিন দফা পাকিস্তান সফরের দুই দফা শেষে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে সিরিজের আগে কথা উঠেছিল, দলে ফিরতে হলে নিজেকে প্রমাণ করে ফিরতে হবে মুশফিককে। বিসিএলে সেঞ্চুরির পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মুশফিক করেছেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি, হয়েছেন ম্যাচসেরা। 

    সে ম্যাচের পরই পাপন বলেছিলেন, “মুশফিকের ব্যাপারে আমরা কিছু শুনিনি, তবে আশা করছি ও যাবে। যাকেই নিব, সেই যাবে। দেশের কথাও ভাবতে হবে। পরিবারের পাশাপাশি দেশও গুরুত্বপূর্ণ।” 

    চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারের সফরে যাওয়া আবশ্যিক বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি, “ওরা সবাই জানে, যে যেতে হবে, যারা চুক্তিবদ্ধ। দেশের পক্ষে খেলা হলে যেতে হবে।”

    অবশ্য এটি বলেছিলেন, “পাকিস্তান ভিন্ন ব্যাপার। একটা ভয় ছিল যারা গেছে, তাদের জন্য। তার বাড়ির লোকও তো খেলে এসেছে। রিয়াদের কিছু হলে কিছু হবে না, শুধু ওর বেলায় কান্নাকাটি হবে নাকি? আমি আগেও বলেছি, এই ইস্যুতে আমি জোরাজুরি করব না। তবে যাওয়া উচিৎ।”