• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    ১২ থেকে ২৩ আগস্ট: এই ১২ দিন চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্য রাখুন

    আগস্টে পর্তুগালের লিসবনে মিনি টুর্নামেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি মৌসুম। ১২ থেকে ২৩ আগস্ট, এই ১২ দিনের মাঝে লিসবনে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে স্কাই ইতালিয়া। আগামী বুধবার এই বিষয়ে ইউয়েফার তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

    মিনি-টুর্নামেন্ট নিয়ে ইউয়েফা মোটামুটি সিদ্ধান্তে পৌঁছালেও শেষ ষোলোর বাকি ৪ ম্যাচের ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে স্কাই ইতালিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

     


    আগস্টের ১২ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৮ এবং ১৯ তারিখে সেমিফাইনাল আর ২৩ তারিখে এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে পারে। সাধারণত কোয়ার্টার এবং সেমির ম্যাচগুলো দুই লেগের হলেও মিনি-টুর্নামেন্টে এক লেগে খেলা হবে। লিসবনের দুই স্টেডিয়াম এস্তাদিও দা লুজ এবং এস্তাদিও হোসে আলভালাদেতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী সবগুলো ম্যাচই দর্শকবিহীন মাঠে হওয়ার কথা। তবে পর্তুগিজ সরকার যদি মাঠে দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেয় এবং টিকেট সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য ইউয়েফার হাতে যদি পর্যাপ্ত সময় থাকে তাহলে কিছু সমর্থক মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পেতে পারেন। আর চ্যাম্পিয়নস লিগের এই মৌসুমের ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ইস্তাম্বুলে, তবে বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতে তা আর করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আগামী কোনও এক মৌসুমে ইস্তাম্বুলকে ফাইনাল আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়া হতে পারে।

    এদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের মৌসুম কীভাবে সম্পন্ন করা হবে সেটির একটি রূপরেখা দাড়িয়ে গেলেও ইউরোপা লিগ নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, চাম্পিয়নস লিগের মতো ইউরোপা লিগও শেষ পর্যন্ত মিনি-টুর্নামেন্টের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হবে। সেক্ষেত্রে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বা ডুসেলডর্ফকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ভাবা হচ্ছে। মেয়েদের চ্যাম্পিয়নস লিগও একই প্রক্রিয়ায় স্পেনের বিলবাও এবং সান সেবাস্তিয়ান শহরে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    আর চলতি মৌসুম শেষের পর আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হতে পারে চ্যাম্পিয়নস লিগের ২০২০/২১ মৌসুমের গ্রুপ পর্ব। তবে তার আগে টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব আয়োজন করতে বেশ জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে ইউয়েফাকে। কারণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের লিগ ভিন্ন ভিন্ন সূচিতে চলছে, এতে করে বাছাইপর্ব শুরুর সময়েও দেখা যেতে পারে, কিছু দেশে লিগের খেলাই শেষ হয়নি। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায় সামনের দিনগুলোতে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে ইউয়েফার সামনে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন