• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    সংখ্যায় সংখ্যায় : মেসির ৩৫ তম শিকার নাপোলি, লেভানডফস্কির রেকর্ডের ছড়াছড়ি

    সংখ্যায় সংখ্যায় : মেসির ৩৫ তম শিকার নাপোলি, লেভানডফস্কির রেকর্ডের ছড়াছড়ি    

    চ্যাম্পিনয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখ। দুইদলই কোয়ার্টারে একে অন্যের প্রতিপক্ষ। এর আগে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে বেশ কিছু রেকর্ড গড়া হয়েছে। বেশির ভাগ রেকর্ডই লিওনেল মেসি আর রবার্ট লেভানডফস্কির।

    বার্সেলোনা-নাপোলি
    ১৩
    টানা ১৩ তম বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা। সবশেষ ২০০৬-০৭ মৌসুমে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বাদ পড়েছিল তারা। কোনো দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ একটানা কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার রেকর্ড আটবার।

    ২৭
    চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে সর্বোচ্চ গোল লিওনেল মেসির। চ্যাম্পিয়নস লিগের এই পর্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চেয়ে তিন গোল বেশি।

    ৩৫
    নাপোলির বিপক্ষে এই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগের টাইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নস লিগে নাপোলি মেসির ৩৫ তম শিকার, অর্থাৎ সবমিলিয়ে মোট আলাদা ৩৫ প্রতিপক্ষের গোল আছে মেসির। রোনালদোর চেয়ে এখানেও মেসির সংখ্যাটা দুই বেশি। রোনালদো ৩৩ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোল করেছেন।

    ১১
    ২৩ মিনিটে মেসির একমাত্র গোলের বিল্ডআপে বার্সেলোনার ১১ জন ফুটবলারই বলে টাচ করেছেন।

    ৬০০
    ক্লেমেন্ত ল্যাংলেটের গোলটি ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার ৬০০ তম গোল।


    চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবারের মতো পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন লুইস সুয়ারেজ। লরেঞ্জো ইনসিনিয়ে প্রথম ইতালিয়ান হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর পর ন্যু ক্যাম্পেও গোল করেছেন।

    ৩৬
    ন্যু ক্যাম্পে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ অপরাজিত থাকার রেকর্ড বায়ার্ন মিউনিখের (৪৩), ১৯৬৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত অপরাজিত ছিল বায়ার্ন।

    ১৬
    ইউরোপে সুয়ারেজের সবশেষ ১৬ গোলের সবগুলোই এসেছে ন্যু ক্যাম্পে।

    বায়ার্ন মিউনিখ-চেলসি

    ৫৩
    এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় রবার্ট লেভানডফস্কির গোল সংখ্যা। ৫৩ গোল করতে মাত্র ৪৪ ম্যাচ নিয়েছে পোলিশ স্ট্রাইকার। ১৩ গোল করে এখন এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।


    চেলসির বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে বায়ার্নের ৭ গোলেই অবদান আছে লেভানডফস্কির। এই ৭ গোলের ৩ টি লেভানডফস্কির নিজের, বাকি ৪টি অ্যাসিস্ট।

    চ্যাম্পিয়নস লিগে এই মৌসুমে খেলা ৭ ম্যাচের সব কয়টিতেই গোল করেছেন লেভানডফস্কি।

    ইউরোপিয়ান টাইয়ে প্রথমবারের মতো দুই লেগ মিলে ৭ গোল হজম করেছে চেলসি। 


    জোড়া গোলের পর চ্যাম্পিয়নস লিগে চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন লেভানফস্কি। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন করিম বেনজেমাকে। ৬৬ গোল করতে লেভানফস্কি খেলেছেন মাত্র ৮৭ ম্যাচ। পাঁচ নম্বরে থাকা করিম বেনজেমা ১২০ ম্যাচেক অরেছেন ৬৫ গোল। লেভানডফস্কির সামনে আছেন শুধু রাউল, মেসি ও রোনালদো।

    ৭৯
    এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় মোট ৭৯ গোল হজম করেছে চেলসি। মায়চ প্রতি গড়ে ১.৪৪ গোল। ১৯৯০/৯১ মৌসুমের পর গোল হজমের দিক দিয়ে চেলসির সবচেয়ে বাজে রেকর্ড।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন