• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    'নেইমার একা সবকিছু করতে পারবে না, এমবাপ্পের খেলাটাই মিরাকল'

    বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে গোলের কম সুযোগ পাননি নেইমার-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা। অথচ পিএসজির সেই ক্ষুরধার আক্রমণভাগ এত সুযোগ পেয়েও একবারও বল জালে জড়াতে পারেনি। মাত্র ছয় মিটার দূর থেকে সোজা বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার বরাবর শট করেছেন এমবাপ্পে। কোয়ার্টার আর সেমির মতো ফাইনালেও নেইমারের ফিনিশিং ছিল হতাশাজনক। তবে পিএসজি কোচ হারের জন্য দলের ফরোয়ার্ডদের দোষারোপ করতে রাজি নন।


    ৪০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে এই দুই ফরোয়ার্ডকে দলে টেনেছিল পিএসজি। অথচ লিসবনে তিন ম্যাচে দুইজন মিলে ২৩ টি শট করেও একটি গোলও করতে পারেননি। তবে থমাস তুখল এরপরও নেইমার-এমবাপ্পেকে হারের জন্য দায়ী করছেন না, “নেইমার দারুণ একটি টুর্নামেন্ট কাটিয়েছে, সে একা সবকিছু করতে পারবে না। আর জুলাইতে গোড়ালির চোটে পড়ার পরও এমবাপ্পে যে দলের সঙ্গে রয়েছে এটাই একটা মিরাকল।”

    কোচের মতো ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মার্কুইনোসও কোচের সঙ্গে সুর মিলিয়ে সতীর্থদের পাশে দাঁড়ালেন, “আমরা একটি দল, এটা (হার) কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ভুল নয়। আমাদের দল নিয়ে গর্বিত হতে হবে। কেউ ভাবতেও পারেনি আমরা এত দূর আসব। আমরা হতাশ কারণ আমরা আরও বেশি কিছু চাচ্ছিলাম।”

    ম্যাচের প্রথম গোলই ফাইনালের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে বলে আগে থেকেই আঁচ করেছিলেন পিএসজির জার্মান কোচ তুখল, “আমার মনে হচ্ছিল, প্রথম গোলই ফাইনালের ভাগ্য গড়ে দেবে। আমি হতাশ তবে খুব বেশি না। আমরা শিরোপার অনেক, অনেক কাছে চলে গিয়েছিলাম। আমাদের জেতার জন্য কী দরকার ছিল? প্রথম গোলটি। সেটা যদি আমরা পেয়ে জেতাম, তাহলে ওই স্কোরলাইনেই ম্যাচ জিততাম।”

    গতরাতে সাবেক পিএসজি ফরোয়ার্ড কিংসলে কোম্যানের দেওয়া একমাত্র গোলে ষষ্টবারের মতো ইউরোপ সেরা হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন