• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    সব সংশয় উড়িয়ে নকআউট পর্বে রিয়াল মাদ্রিদ

    সব সংশয় উড়িয়ে নকআউট পর্বে রিয়াল মাদ্রিদ    


     

    ভাগ্য নিজেদের হাতে রাখতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প ছিল না। অন্য কিছু হলেই চলে আসত ‘যদি-কিন্তু’। সেসবের ধার ধারেনি রিয়াল মাদ্রিদ, সব শংকাকে উড়িয়ে জায়গা করে নিয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে। নিজেদের মাঠে মনশেনগ্লাডবাখকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই উঠেছে শেষ ষোলোতে। শাখতার ও ইন্টার মিলানের অন্য ম্যাচটা ড্র হওয়ায় নিশ্চিত হয়েছে, দ্বিতীয় হয়ে রিয়ালের সঙ্গী হয়েছে মনশেনগ্লাডবাখ। ইউরোপা লিগে জায়গা পেয়েছে শাখতার, আর ইন্টার মিলান গ্রুপ শেষ করেছে চারে থেকে।

    জার্মান ক্লাবটির বিপক্ষে রিয়াল যা করার করে ফেলেছে প্রথমার্ধেই। ম্যাচের ৯ মিনিটেই লুকাস ভাজকেজের ক্রস থেকে গোল করে এগিয়ে দিয়েছেন করিম বেনজেমা। ৩১ মিনিটে আবারও হেড করে বেনজেমার গোল, এবার রদ্রিগোর পাস থেকে। ম্যাচে ছড়ি ঘোরাচ্ছিল রিয়ালই, ৩৫ বছর বয়সেও কাল মধ্যমাঠ দাপিয়ে বেরিয়েছেন লুকা মদ্রিচ। গোলে মাত্র একটি শট ছিল মনশেনগ্লাডবাখের, সেই অর্থে তারা সুযোগই পায়নি।

    এরপর ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত রিয়াল। কিন্তু মদ্রিচের একটা গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। আর বেনজেমা ও ভাজকেজের শট আবারও লাগে পোস্টে। তবে তাতে রিয়ালের জয় পেতে অসুবিধা হয়নি।

    কালকের আগে প্রথমবারের মতো ইউরোপা লিগ চোখ রাঙাচ্ছিল রিয়ালকে। তবে এই জয়ে নিশ্চিত হয়েছে, টানা ২৫ মৌসুমের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলছে ইউরোপের সফলতম দলটি। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে ছিল না রিয়াল, সেবার তারা খেলেনি কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায়।

    একই গ্রুপে ইন্টার মিলান নিজেদেরকেই দুষতে পারে। জিতলেই রিয়ালের সঙ্গে তারাও চলে যেত পরের পর্বে। কিন্তু  ০-০ গোলে ড্র করে হারিয়েছে সুযোগ। পুরো ম্যাচে গোলে ২০টি শট নিয়েছে ইন্টার। এমনকি শেষ মুহূর্তেও সানচেজের হেড গোলে ঢুকেই যাচ্ছিল, কিন্তু লুকাকুর গায়ে লেগে যাওয়ায় সেটা হয়নি। শাখতারও সুযোগ পেয়েছিল জয় পেয়ে পরের পর্বে যাওয়ার, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি।