• ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ১৩১ ওভার ব্যাটিং করে সিডনিতে ভারতের 'গ্রেট এসকেপ'

    তৃতীয় টেস্ট, সিডনি
    অস্ট্রেলিয়া ৩৩৮ ও ৩১২/৬ ডিক্লে.
    ভারত ২৪৪ ও ৩৩৪/৫ 
    ম্যাচ ড্র


    টেইল-এন্ডের সঙ্গে বাকি ছিলেন একজন অলরাউন্ডার, যার আঙুলের চোট সিরিজ থেকেই ছিটকে দিয়েছে তাকে। ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যানের একজন হ্যামস্টিংয়ের চোটে ভুগছেন, আরেকজনের আঘাত পাঁজরে। ভারত সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, চতুর্থ ইনিংসে ১৩১ ওভার ব্যাটিং করে সিডনি টেস্ট ড্র করেছে তারা। 

    চোটগ্রস্ত হনুমা বিহারি ও রবি আশ্বিনের ২৫৯ বলের জুটি ভারতকে নিয়ে গেছে নিরাপদ জায়গায়, চোটের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে তারা পেয়েছে দারুণ এক ফল। রঙ বদলানোর ম্যাচে একসময় ভারতের জয়টাকেও মনে হচ্ছিল সম্ভব, চেতেশ্বর পুজারার ৭৭ রানের সঙ্গে ঋষভ পান্টের ১১৮ বলের ৯৭ রানের ইনিংসে। তবে এ দুজনের ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার জয় মনে হচ্ছিল দারুণ সম্ভব, এরপরই এসেছে বিহারি-আশ্বিনের ওই জুটি, শেষ পর্যন্ত যেটি ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা। ফিল্ডিংয়ে পিচ্ছিল এক দিন দারুণ ভুগিয়েছে তাদের। 

    ২ উইকেটে ৯৮ রানে দিন শুরু করা ভারতকে এ ম্যাচ বাঁচাতে ব্যাটিং করতে হতো প্রায় ৯৭ ওভার। দিনের শুরুতেই আজিঙ্কা রাহানেকে ফিরিয়ে ন্যাথান লায়ন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কাজটা মোটেই সহজ হবে না সফরকারীদের। পুজারা-পান্টের জুটি অবশ্য দেখালো ভিন্ন কিছু। ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দিয়ে পাঁচে পাঠানো হলো পান্টকে। প্রথম ৩৪ বলে পান্ট করেছিলেন ৫ রান, এরপর লায়নকে চার-ছয়ে নিজের খোলস ছেড়ে বেরুলেন, পরের সময়টা অস্ট্রেলিয়াকে দিয়ে গেলেন একটা কাঁপুনি। লাঞ্চে ভারত গিয়েছিল ৩ উইকেটে ২০৬ রান নিয়ে, পুজারার ৪১ রানের সঙ্গে পান্ট অপরাজিত ছিলেন ৭৩ রানে। 

    পরের সেশনেও আক্রমণ চালিয়ে গেছেন পান্ট, সেঞ্চুরিটা পাওয়া হয়নি লায়নকে ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে এসে মারতে গিয়ে, ৯৭ রানের ইনিংসে তিনি মেরেছেন ৩ ছয়ের সঙ্গে ১২ চার। তবে তিনি ফিরলেও ভারত ছিল ঠিক পথেই, প্যাট কামিন্সকে টানা তিন চারে পুজারাও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তেমনই। তবে জশ হ্যাজলউডের লাইন ধরে রাখা বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি। ৫২ বলে ৪ রান করা বিহারির সঙ্গে ২৫ বলে ৭ রান করা আশ্বিন গিয়েছিলেন চা-বিরতিতে। 

    বিরতির পর প্রথম বলেই আশ্বিনকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার, রিভিউ নিয়ে বেঁচেছেন তিনি। এরপর আরেকটা সুযোগ দিয়েছিলেন, স্কয়ার লেগে সেটি নিতে পারেননি বদলি ফিল্ডার শন অ্যাবট। অস্ট্রেলিয়ার জন্য এরপর উহ-আহর মুহুর্ত এসেছে আরও, তবে ম্যাচের শেষ সুযোগটা দিয়েছিলেন বিহারি, স্টার্ককে ড্রাইভ করতে গিয়ে এজড হয়ে। ডানদিকে ডাইভ দিয়ে সেটি নিতে পারেননি অধিনায়ক টিম পেইন, বলে চলে, অস্ট্রেলিয়ার আশাও শেষ হয়ে গেছে সেখানেই। এক ওভার বাকি থাকতেই এরপর ড্র মেনে নিয়েছে দুই দল। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন