• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    জিরু-ম্যাজিকে চেলসির অ্যাটলেটিকো জয়, বায়ার্ন আবারও দুর্বার

    জিরু-ম্যাজিকে চেলসির অ্যাটলেটিকো জয়, বায়ার্ন আবারও দুর্বার    

    নিজেদের মাঠে হোম রেকর্ড দুর্দান্ত ছিল অ্যাটলেটিকোর। এই মৌসুমে দারুণ ফর্মেও আছে তারা। কিন্তু 'হোমেই' চেলসির কাছে ১-০ গোলে হেরে গেল ডিয়েগো সিমিওনের দল। খানিকটা আন্ডারডগ হিসেবে রোমানিয়ায় এসে অলিভিয়ের জিরুর ম্যাজিকে মহামূল্যবান অ্যাওয়ে জয় পেয়ে গেল তমাস তুখেলের দল। অন্যদিকে লাৎসিওকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে আবারও দুর্বার বায়ার্ন মিউনিখ, বার্তা দিয়েছে কেন তারা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। 

    করোনা ভাইরাসের জন্য নিজেদের মাঠে কাল ম্যাচটা খেলতে পারেনি অ্যাটলেটিকো। রোমানিয়ায় সেই হোম অ্যাডভান্টেজ নিতে পারবে, খেলা দেখে সেটা মনে হয়নি খুব একটা। খানিকটা বিস্ময়করভাবে চেলসিকে চেপে ধরার তেমন চেষ্টা করেনি অ্যাটলেটিকো। পুরো ম্যাচে গোলে তাদের শটও ছিল না। ২০১৯ সালের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এমন আর হয়নি তাদের। 

    খানিকটা ঢিমেতালে চলা ম্যাচে চেলসি তাদের একমাত্র গোলটা পেয়ে যায় ৬৮ মিনিটে। একটা আক্রমণের পর বক্সে বল পেয়ে যান জিরু। দুর্দান্ত এক সিজর কিকে জালে জড়িয়ে দেন। অফসাইডের জন্য গোলটা অবশ্য শুরুতে বাতিল করে দিয়েছেন সহকারী রেফারি। কিন্তু এরপর ভিএআরে দেখা যায়, জিরু অনসাইডেই ছিলেন। ৩৪ বছর বয়সে এসেও জিরু চ্যাম্পিয়নস লিগে এই মৌসুমে পেয়েছেন ছয় গোল, দেখালেন দলকে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে তার। চেলসির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে নকআউটে এত বেশি বয়সে গোল আর কেউ পায়নি। এটাই দিন শেষে গড়ে দিয়েছে ব্যবধান। 

    তার চেয়েও বড় কথা, তুখেলের অধীনে চেলসি এখনো পর্যন্ত অপরাজিতই রইল। একটাই অস্বস্তি থাকবে তুখেলের, হলুদ কার্ড পাওয়ায় পরের লেগে খেলতে পারবেন না জর্জিনহো ও ম্যাসন মাউন্ট। তবে নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথম জয়ে বেশ তৃপ্তিই থাকবে তুখেলের। যদিও জানেন, দ্বিতীয় লেগে কাজটা সহজ হবে না। বিশেষ করে অ্যাটলেটিকো গত মৌসুমে যেভাবে লিভারপুলের মাঠে ফিরে এসেছিল, সেটা অবশ্যই মনে থাকার কথা তুখেলের। তবে লিগের পর চ্যাম্পিয়নস লিগেও হারে কিছুটা চাপেই পড়ে গেলেন সিমিওনে। 

    অন্য ম্যাচে লাৎসিওর সঙ্গে যা হওয়ার কথা সেটাই হয়েছে বায়ার্নের জন্য। ইতালিয়ান প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের রেকর্ড এমনিতেই দুর্দান্ত, কালও সেটা আরও বেড়েছে, শুরু থেকে বায়ার্নের প্রেসিংয়ের মুখে ভুল করে বসেছে লাৎসিও। মাতেও মুসাচ্চিওর ভুল পাস থেকে বল পেয়ে শুরুতেই বায়ার্নকে এগিয়ে দেন লেভানডফস্কি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭২ গোল হয়ে গেল তার, টপকে গেলেন রাউলকে। সামনে এখন শুধু লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। 

    ২৪ মিনিটে বায়ার্নের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন টিন এজার জামাল মসিয়ালা। ৪২ মিনিতে কিংসলে কোমানের দারুণ একটা পালটা আক্রমণ থেকে শটের পর রিবাউন্ডে গোল করে ব্যবধান তিন গুণ করেন লেরয় সানে। আর ৪৭ মিনিটে সানের শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে জালে জড়িয়ে দেন লাৎসিওর আসারবি। শেষ দিকে করিয়ার দারুণ গোলে ব্যবধান কমালেও বায়ার্ন এক পা দিয়েই রেখেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। 

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন