• অন্যান্য
  • " />

     

    মাত্র ৪ বলেই ইনিংস শেষ!

    মাত্র ৪ বলেই ইনিংস শেষ!    

    এক অদ্ভুত ম্যাচের দেখা মিলল ভারতের ঘরোয়া সিনিয়র মহিলা ওয়ানডে ট্রফিতে। মাত্র ৪ বলেই রান তাড়া করে ম্যাচ জিতে গেছে মুম্বাই।

    ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বাই শক্তিশালী দল হলেও এত সহজেই জেতার কথা হয়ত তারাও ম্যাচের আগে ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেনি। ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে লিগপর্বের ৫০ ওভারের ম্যাচে মুম্বাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিল নাগাল্যান্ড। টসে জিতে নাগাল্যান্ডের ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটাই যেন তাদের জন্য হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়াল। ১৭.৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান করতেই গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস।

    মুম্বাই অধিনায়ক সায়ালি সাতঘারে তার মিডিয়াম পেসে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন নাগাল্যান্ডকে। চার মেইডেন দিয়ে ৮.৪ ওভারে উইকেটে পেয়েছেন ৭টি, রান দিয়েছেন মাত্র ৫! নাগাল্যান্ডের কোনো খেলোয়াড়ই দুই অংক স্পর্শ করতে পারেনি, প্রথম চার ব্যাটার কিকায়াংলা, জ্যোতি, এলিনা ও অধিনায়ক সেন্টিলেমলা রানের খাতাই খুলতে পারেননি। সাত নম্বরে নেমে সারিবা করেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ৯ রান। পরবর্তী সর্বোচ্চ রান আসে অতিরিক্তের খাত থেকে (৩)। 

    সাতঘারের পাশাপাশি দুর্দান্ত ছিলেন থ্যাকারও। পাঁচ ওভার বল করে পাঁচটিই মেইডেন নেন তিনি। সাথে পেয়েছেন এক উইকেট। অপর বোলার দক্ষিণী নেন বাকি দুই উইকেট।

    ১৮ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করা ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। ওপেনার এশা ওঝা আর ভ্রুশালি ভগত মাত্র ৪ বলেই ২০ রান তুলে নাগাল্যান্ডের কাটা ঘায়ে আরও নুনের ছিটা দিয়েছেন।  

     

     

    ২৯৬ বল বাকি থাকতে মুম্বাই ম্যাচ শেষ করলেও বলের ব্যবধানে মেয়েদের আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ডটা হয়ত আর কখনোই ভাঙ্গা হবেনা কারও। ১৯৯৩ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া মহিলা দল ডেনমার্কের ৭৬ রানের টার্গেট টপকে গিয়েছিল ৩০৭ বল বাকি রেখে, কারণ মেয়েদের বিশ্বকাপ তখন হত ৬০ ওভারে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন