• অন্যান্য
  • " />

     

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আইসিসির ভাবনায় ভারতের 'বিকল্প'

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আইসিসির ভাবনায় ভারতের 'বিকল্প'    

    শেষ পর্যন্ত ভারত আয়োজন করতে না পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা ভাবনায় আছে আইসিসির। এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে হওয়ার কথা আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তবে ভারতে এখন আঘাত করেছে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ওয়েভ। এখনও হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে উল্লেখ করে আইসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেছেন, বিকল্প ভাবনা থাকলেও সেটি নিয়ে কাজ শুরু করেননি তারা এখনও। 

    প্রাথমিকভাবে গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে গেছে সেটি। এবার ভারতের পর আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা আছে এ টুর্নামেন্টের আরেকটি আসর। 

    সম্প্রতি ভারতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার পর বিসিসিআই আইপিএলও ফেরাচ্ছে সেখানে, তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে জটিল। হোম-অ্যাওয়ে পদ্ধতি বাদ দিয়ে ছয়টি ভেন্যুতে এবার আইপিএল হবে, এরই মাঝে নিজেদের বিকল্প ভেন্যুর কথা জানিয়েছে বিসিসিআইও। ৬ মার্চ ভারতে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার মানুষ। 

    সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় অ্যালারডাইস জানিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির বিকল্প ভাবনার কথা, “হ্যাঁ, আমাদের বিকল্প পরিকল্পনা আছে। তবে এই মুহুর্তে আমরা সেসব বাস্তবায়ন শুরু করিনি, কারণ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতে এটি আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েই এগুচ্ছি আমরা। ইভেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি আমরা, তবে সময় এলে আমরা বিকল্প পরিকল্পনার দিকে এগুবো।” 

    আপাতত আইসিসির নজরে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ফাইনাল। ১৮ থেকে ২২ জুন ইংল্যান্ডের সাউতহ্যাম্পটনে হওয়ার কথা ভারত-নিউজিল্যান্ডের এই ম্যাচ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে বলে মনে করেন অ্যালারডাইস, “আমরা নির্ধারিত সময়ের ধারেকাছে যাইনি এখনও। পরিস্থিতি দেখার জন্য আমাদের হাতে বেশ কয়েক মাস সময় আছে, ক্রিকেট এ সময়ে কীভাবে হচ্ছে সেটি দেখব আগে। মাস দুয়েকের ব্যবধানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আসছে, দুই দলের হলেও এটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। এই মুহুর্তে দুই দলের সঙ্গেই আমাদের পরিকল্পনা এগুচ্ছে।” 

    বিভিন্ন দেশে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এলেও সব দলকে এ ব্যাপারে বাধ্য করার অবস্থায় নেই আইসিসি। আপাতত তাই সবাইকে এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে রেখেছে তারা, যাতে যত দ্রুত সম্ভব সবাই এটি নিয়ে নেয়। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন