• অন্যান্য
  • " />

     

    ৩৬ পেরিয়ে অবশেষে টেস্ট অভিষেক তাবিশের

    ৩৬ পেরিয়ে অবশেষে টেস্ট অভিষেক তাবিশের    

    ৩৬ বছর ১৪৬ দিন বয়সে, ১৩৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার পর অবশেষে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট অভিষেক হলো পেসার তাবিশ খানের। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে আছেন তিনি। 

    গত বছরের শুরুতে দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের স্কোয়াডেও ছিলেন তাবিশ, তবে অপেক্ষা শুধু বেড়েছে তার। অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফকে হুট করেই এ টেস্ট থেকে বাদ দিয়েছে পাকিস্তান, তার জায়গাতেই সুযোগ মিলেছে তার। 

    ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে মুলতানের বিপক্ষে করাচি হোয়াইটসের হয়ে প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক হয়েছিল তাবিশের। এখন পর্যন্ত ২৪.৩০ গড়ে প্রথম শ্রেণিতে এই ডানহাতি পেসার নিয়েছেন ৫৩৮ উইকেট, ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ৩৮ বার। বদলে যাওয়া প্রথম শ্রেণির কাঠামোতে এখন সিন্ধের হয়ে খেলেন তিনি, শেষ কাইদ-ই-আজম ট্রফিতেও নিয়েছেন ৩০ উইকেট। 

    পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট অভিষেকের আগে তাবিশের চেয়ে বেশি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন শুধু একজন। ১৯৬৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের আগে ২১২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছিলেন খালিদ ‘বিলি’ ইবাদুল্লা। 

    তাবিশের চেয়ে বেশি বয়সে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট অভিষেকের রেকর্ড আছে একজনের- ১৯৫৫ সালে লাহোরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের সময় মিরান বাকশের বয়স ছিল ৪৭ বছর ২৮৪ দিন। ইতিহাসেই সবচেয়ে বেশি বয়সে টেস্ট অভিষেকের তালিকায় দুইয়ে আছেন বাকশ। ইতিহাসের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন জেমস সাউদারটন, সে সময় তার বয়স ছিল ৪৯ বছর ১১৯ দিন। 

    এ শতাব্দিতে তাবিশের মতো এতো বয়সে গিয়ে টেস্ট অভিষেকের ঘটনা নতুন না হলেও নিয়মিত নয় মোটেও। ৩৬ বা এর বেশি বয়সে এ শতকে টেস্ট অভিষেক করেছেন তাবিশের আগে আর ৫ জনের- ইংল্যান্ডের শন উডাল, অস্ট্রেলিয়ার ব্রাইস ম্যাকগেইন ও আয়ারল্যান্ডের তিনজন- এড জয়েস, নিয়াল ও’ব্রায়েন ও টিম মারটাহ। 

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে টেস্ট অভিষেকের রেকর্ড এনামুল হক মনির। ২০০১ সালে হারারেতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকের সময় এই বাঁহাতি স্পিনারের বয়স ছিল ৩৫ বছর ৬৭ দিন। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন