• বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ে সফর
  • " />

     

    সাদমান-শান্তর সেঞ্চুরির পর অশান্ত টেলর ও অদ্ভুত এক জুটি

    সাদমান-শান্তর সেঞ্চুরির পর অশান্ত টেলর ও অদ্ভুত এক জুটি    

    সাদমান ইসলাম-নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি পেয়েছেন, জিম্বাবুয়েকে বড় লক্ষ্য দিয়ে এর মধ্যেই ৩ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। হারারেতে শেষ দিন বাংলাদেশের জয়ের মঞ্চটা প্রস্তুত। তবে এর বাইরেও দিনের টকিং পয়েন্ট ব্রেন্ডন টেলরের ঝড়, আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে টেলর-কাইতানর অদ্ভুতুড়ে জুটি। এমন ঘটনা টেস্ট ক্রিকেট খুব বেশি তো দেখেনি।

    আগের দিন সাদমান-সাইফ অপরাজিত ছিলেন। সাইফ লাইফ পেয়েছিলেন কাল, আজ ৫৫ রানের মাথায় পেলেন সাদমানও। তবে লাইফ পেয়েও সাইফ শেষ পর্যন্ত ইনিংসটা খুব বড় করতে পারেনি। এনগারভার বলে ৪৩ রানে আউট হয়েছেন, পয়েন্টে ক্যাচটাও দারুণ নিয়েছেন মায়ার্স। তবে এরপর শো শুরু করেছেন শান্ত আর সাদমান। জিম্বাবুয়ের নখদন্তহীন বোলিংকে দুজন শাসন করে দ্রুত রান পেয়েছেন। সাদমান তার মতো ধীরেসুস্থে খেললেও শান্ত ছিলেন প্রায় অশান্ত। দুজনের সেঞ্চুরি জুটি হয়ে গেছে দ্রুতই, লাঞ্চের সময় অবিচ্ছিন্ন ছিলেন দুজন। এরপর সাদমান আগে পেয়েছেন টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি, জিম্বাবুয়ের মাটিতে বাংলাদেশি কোনো ওপেনারের প্রথম। আর দেশের বাইরে কোনো বাংলাদেশি ওপেনারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। অন্যদিকে শান্ত পাত্তাই দেননি জিম্বাবুয়ে বোলারদের। প্রায় ১০০ স্ট্রাইক রেটে দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনিও। শেষ পর্যন্ত ১১৮ বলে ১১৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ১৯৬ বলে ১১৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন সাদমান। ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে দিয়েছেন মুমিনুল। জিম্বাবুয়ের সামনে দিয়েছেন ৪৭৭ রানের লক্ষ্য।



    সেই লক্ষ্যে প্রথম ৪ ওভার ঠিকমতো কাটিয়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। পঞ্চম ওভারে তাসকিন এসে দ্বিতীয় বলে আউট করেছেন শুম্বাকে, স্লিপে ভালো আরেকটি ক্যাচ নিয়েছেন বাংলাদেশের সুপার সাব ইয়াসির আলী। এরপরেই ব্রেন্ডন টেলরের ক্যামিও। দুর্দান্ত সব শটে এলোমেলো করে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলিং। স্লগ না করেই একের পর এক বাউন্ডারি মারছেন। তবে অন্যদিকে কাইতানো ছিলেন বেশি সত্ররক। অবিশ্বাস্যই, দুজনের জুটিতে যকঝন ৫০ রান উঠে গেছে কাইতানো ১ রানও করেননি তখন।

    এরপর মনে হচ্ছিল টেলর সেঞ্চুরি পেয়েই যাবেন। সেটা হতো জিম্বাবুয়ের হয়ে দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরি। কিন্তু ৭৩ বলে ৯২ রান করে ফিরে গেছেন মিরাজের বলে ফিরতি ক্যাচে। কাইতানর সাথে ৯৫ রানের জুটিতে তার একার রানই ৯২, কাইতানর মাত্র ৩। অবশ্য লাইফ পেয়েও শেষ পর্যন্ত ১০২ বলে ৭ রান করে সাকিবের বলে এলডিব্লু হয়েছেন কাইতানো। ১৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দিন শেষ করেছে জিম্বাবুয়ে। কাল বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, জিম্বাবুয়ের ৩৩৭ রান।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন