• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    হালান্ডের আরেকটি নীরব রাতে সিটির অসহায় ড্র, বদলি লুকাকুতে ইন্টারের পরিত্রাণ

    হালান্ডের আরেকটি নীরব রাতে সিটির অসহায় ড্র, বদলি লুকাকুতে ইন্টারের পরিত্রাণ    

    লাইপজিগ ১:১ ম্যান সিটি 

    ইন্টার মিলান ১:০ পোর্তো  


    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বছরের প্রথম সপ্তাহটা ভালো যাচ্ছিল না কোনো ইংলিশ দলের জন্য। টটেনহাম, চেলসির পর লিভারপুলও হেরেছে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে। ম্যান সিটি এসে সেই কুফাটা কাটাবে, সেটিই ছিল সবার প্রত্যাশা। কিন্তু পেপ গার্দিওলার দলও প্রথম লেগে জয় নিয়ে ফিরতে পারেনি। রেড বুল লাইপজিগের মাঠে ১-১ গোলের ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। দিনের অপর ম্যাচে রোমেলু লুকাকুর একমাত্র গোলে পোর্তোর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে স্বাগতিক ইন্টার মিলান। 

    লাইপজিগের রেড বুল এরিনায় প্রথমার্ধ পুরোপুরিই নিয়ন্ত্রণ করে ম্যানচেস্টার সিটি। অসুস্থতার জন্য এদিন কেভিন ডি ব্রুইনা দলে না থাকলেও বলের দখল রেখে, দ্বিতীয় বল জিতে এই অর্ধে স্বাগতিকদের সঙ্গে প্রায় ছেলেখেলা করে গুন্ডোগানরা। ২৭ মিনিটে লাইপজিগের এক রক্ষণাত্মক ভুল কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে নেন রিয়াদ মাহরেজ। এর বাইরে সিটি আরও বেশকিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ১-০ ব্যবধান নিয়েই শেষ হয় প্রথমার্ধ। 

    দ্বিতীয়ার্ধে এসে ম্যাচের চেহারা পুরোপুরি বদলে যায়। স্বাগতিক ভক্তদের সরব সমর্থন ও নতুন কোচ, মার্কো রোজের কিছু ট্যাকটিকাল পরিবর্তনে এই অর্ধে ঘুরে দাঁড়ায় লাইপজিগ। বিরতির পর বদলি নামা বেঞ্জামিন হেনরিকস রাইটব্যাক রোলে এসেই ডানপাশ দিয়ে ত্রাস তৈরি করতে শুরু করেন। সমতা ফেরানোর দুটি সুযোগও পেয়েছিলেন হেনরিকস। কিন্তু ৫৩ ও ৫৫ মিনিটে নেওয়া তার দুটি এটেম্পই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৩ মিনিটে স্ট্রাইকার আন্দ্রে সিলভার নেওয়া শট কোনোমতে ফেরাতে সমর্থ হন এডারসন। এরকম একের পর এক আক্রমণের সামনে ধীরে ধীরে নার্ভাস হতে শুরু করে সিটির রক্ষণ। শেষ পর্যন্ত এক সেটপিস থেকে গোল হজম করে তারা। ৭০ মিনিটে মার্সেল হালস্টেনবার্গের কর্নারে হেড করে গোল করেন লাইপজিগ ডিফেন্ডার জস্কো গার্দিওল।  

    কেভিন ডি ব্রুইনার অনুপস্থিতিতে সিটি নাম্বার নাইন আর্লিং হালান্ড পুরো ম্যাচে একরকম বিচ্ছিন্নই ছিলেন দল থেকে। ৯০ মিনিটে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছেন এই নরওয়েজিয়ান, সেটিও হয়েছে লক্ষ্যভ্রষ্ট। 

    এদিকে, দিনের অপর ম্যাচেও ঠিক ধুন্ধুমার ফুটবল খেলেনি কোনো দল। সান সিরোতে স্বাগতিক ইন্টার ঠিক ম্যাচটি ডমিনেট করতে না পারলেও পোর্তোর আগ্রাসন শক্তহাতে সামাল দিতে পেরেছে তাদের রক্ষণ। বিশেষ করে গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা অন্তত দুটি ম্যাচ বাঁচানো সেভ করেছেন। 

    আক্রমণভাগে দুই প্রাথমিক স্ট্রাইকার এডিন জেকো ও লাউতারো মার্টিনেজ, কেউই ঠিক সুবিধা করতে পারেননি। ৫৮ মিনিটে বদলি নামা লুকাকু এসে স্বাগতিকদের আক্রমণে নতুন রশদ জোগান। শেষ পর্যন্ত এই বেলজিয়ানের কল্যাণেই কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায় ইন্টার। ৮৬ মিনিটে বারেল্লার ক্রসে হেড করেন লুকাকু। কিন্তু পোস্টে লেগে ফিরে আসে তার হেড। ফিরতি বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন লুকাকু।