• " />

     

    রেকর্ড গড়ে জিতলো ইংল্যান্ড

    রান তাড়ায় সর্বোচ্চ 

    জিম্বাবুয়ের ২৩৬ রানের লক্ষ্য কোনো উইকেট না হারিয়েই পেরিয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও টম ল্যাথামের সেঞ্চুরিতে ৪২.২ ওভারেই এই রান করেছিল কিউইরা, রান তাড়া ভেঙ্গে দিয়েছিল পাকিস্তানের ২২৬ রানের রেকর্ড। 

    নিউজিল্যান্ডের সেই রেকর্ড আজ ভেঙ্গে দিল ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কার ২৫৫ রানের লক্ষ্য ইংলিশ ওপেনাররা পেরিয়ে গেছেন ৩৪.১ ওভারেই! রঙ্গীন পোশাকে ইংল্যান্ডের নতুন দিনের গানই কি গাইবে এই রেকর্ড? 

     

    ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ জুটি 

    ২০০৩ সালে ওপেনিং জুটিতে মার্কাস ট্রেসকোথিক ও ভিক্রম সোলাঙ্কি করেছিলেন ২০০ রান। অ্যালেক্স হেলস ও জ্যাসন রয় সে রেকর্ড তো ভেঙ্গে দিয়েছেনই, ইংল্যান্ডের হয়ে যে কোনো উইকেটেই সর্বোচ্চ রানের জুটি এখন এই দুজনের। এই জুটি ভেঙ্গে দিয়েছেন ২০১০ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে করা অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস ও জোনাথন ট্রটের দ্বিতীয় উইকেটে ২৫০ রানের জুটির রেকর্ড। ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের সেই ম্যাচটিও হয়েছিল এই এজবাস্টনেই! 

    সব মিলিয়ে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি উপুল থারাঙ্গা ও সনাথ জয়াসুরিয়ার। ২০০৬ সালের ইংল্যান্ডের সঙ্গেই লিডসে তাঁদের ওপেনিং জুটিতে এসেছিল ২৮৬ রান! 

     

    দুই ওপেনারেরই সেঞ্চুরি

    একটা সময় পর্যন্ত হেলস ও রয়, পাল্লা দিয়ে তুলেছেন রান। মাঝে পিছিয়ে পড়েছিলেন রয়, হেলসের সেঞ্চুরির পর তিনি সঙ্গই দিয়ে গেছেন রয়কে। দুজনই সেঞ্চুরি পেয়েছেন, এক ইনিংসে দুই ওপেনারেরই সেঞ্চুরির এটি ৩২তম ঘটনা, তবে ইংল্যান্ডের জন্য প্রথম। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে দুই ওপেনারের সেঞ্চুরি পাওয়ার ঘটনা এটি নিয়ে ৯ম বার। এর আগে শেষ করেছিলেন হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক। এ বছরেরই ফেব্রুয়ারিতে, সেঞ্চুরিয়নে, ইংল্যান্ডের সঙ্গেই! 

     

    সাত নম্বরে ফিফটি

    ওপেনারদের রেকর্ডের দিনে সাত নম্বরে নেমেছিলেন একসময় শ্রীলঙ্কার নিয়মিত ওপেনার উপুল থারাঙ্গা। করেছেন ৫৩ রান। শ্রীলঙ্কার শেষ কোনো সাত নম্বর ব্যাটসম্যান ফিফটি করেছিলেন ২০১২ সালে। পাল্লাকেল্লেতে ভারতের সঙ্গে অজন্তা মেন্ডিস করেছিলেন ৭২ রান। 

     

    সেঞ্চুরি জুটির আক্ষেপ 

    ৭৭ রানেই ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর হাল ধরেছিলেন দুইজন। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও দীনেশ চান্ডিমালের জুটিটি ছিল ৯৩ রানের। এ পর্যন্ত দুজন একসাথে ব্যাটিং করে যোগ করেছেন ১১৯২ রান, কিন্তু সেঞ্চুরি জুটি হয়নি একটিও! সেঞ্চুরি জুটি না করে সর্বোচ্চ রান যোগ করায় এই জুটি দ্বিতীয়তে। জিম্বাবুয়ের অ্যালেস্টার ক্যাম্পবেল ও গাই হুইটাল একসঙ্গে ১২৪৯ রান করলেও তিন অঙ্কের জুটি গড়তে পারেননি একবারও! 

     

    এজবাস্টনের উল্টো রুপ! 

    ২০১৪ সালে প্রথমবার শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ডের, এজবাস্টনে। সেই ম্যাচটা জিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। এবার শ্রীলঙ্কা হারলো ১০ উইকেটে। প্রথমবারের মতো পয়েন্টের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে যাওয়া 'সুপার সিরিজ'(টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে) হেরে গেল এ ম্যাচ দিয়েই। বাকী আছে তিন ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি, কিন্তু কোনোভাবেই ইংল্যান্ডের ১৩-৩ লিডকে টপকে যেতে পারবে না লঙ্কানরা! 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন