• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    দেশী বোলারদের নিয়ে গর্বিত তাসকিন

     শুরুটা হয়েছিল ভুলে যাওয়ার মতো। প্রথম দুই ম্যাচে ৬৬ রান দিয়ে পেয়েছিলেন মাত্র ১ উইকেট। কিন্তু এর পর থেকেই যেন ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। এখন পর্যন্ত বিপিএলে মোট উইকেট ১৫টি, তাঁর চেয়ে বেশি উইকেট আছে শুধু শফিউল ইসলাম ও আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবীর। তবে তাসকিন নিজের পারফরম্যান্স নয়, জাতীয় দলের সতীর্থদের জ্বলে ওঠাটাও বড় করে দেখছেন। 


    এবারের বিপিএলে শীর্ষ পাঁচের তিনজন বোলার পেসার। এবং সেই তিনজন বোলারই বাংলাদেশী। শফিউল ইসলাম এখন পর্যন্ত ১৬ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁর ঠিক পরেই আছেন তাসকিন ও মোহাম্মদ শহীদের । অবশ্য গোড়ালিতে চোট পেয়ে শহীদের এবারের বিপিএল অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে, উইকেটসংখ্যাও বাড়াতে পারছেন না। তবে এর মধ্যেই নিজের বোলিং দিয়ে মুগ্ধ করেছেন সবাইকে। শফিউলও খুলনার জয়যাত্রার অন্যতম কুশীলব হয়েই আছেন। 


    সেই তুলনায় তাসকিন প্রথম দিকে বিবর্ণই ছিলেন। কিন্তু রাজশাহী কিংসের সঙ্গে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর থেকেই প্রতি ম্যাচেই ধারাবাহিক। আজও খুলনার সঙ্গে মাহমুদউল্লাহ ও নিকোলাস পুরানের মহামূল্যবান দুই উইকেট পেয়েছেন। স্বদেশী পেসারদের ভালো খেলাটা তাসকিনকে গর্বিত করছে, "আমাদের লোকাল ফাস্ট বোলাররা ভালো করছে। এটা খুবই ভালো দিক। আগের দিকের বিপিএলে বিদেশী ফাস্ট বোলারদের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল থাকতে হতো।  এবার শফিউল ভাই, শহীদ ভাই ভালো করেছে। এটা দেখতেও  ভালো লাগে। নিজের কাছে প্রাউন্ড মনে হয়, আমি আসলে বাংলাদেশ দলের বোলার। "


    কিন্তু তাঁর নিজের এমন ধারাবাহিক থাকার রহস্য কী? তাসকিনের ব্যাখ্যা, আসলে অনুশীলনে বেশি সময় দিয়েছি। স্পট বোলিং করেছি। সিনিয়ররা সাহায্য করেছে। বিপিএলের শুরুটা হয়তো ভালো হয়নি, পরের ম্যাচগুলোতে নিজেকে ফিরে পেয়েছি।"


    সামনের ম্যাচগুলোতে এমন তাসকিনকে পাওয়া গেলে চট্টগ্রামের জয়যাত্রা হয়তো চলতেই থাকবে।  
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন