• নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ
  • " />

     

    নেলসনের ওই ম্যাচই মাশরাফিদের প্রেরণা?

    হঠাৎ করেই যেন বাংলাদেশের দলের আকাশে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ। ক্রাইস্টচার্চে প্রথম ম্যাচ হেরে গেছে, তার চেয়েও বড় কথা দুই সপ্তাহের জন্য হারিয়ে ফেলতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। তবে তার মধ্যেও একটু স্বস্তি দিতে পারে নেলসনের স্যাক্সটন ওভাল। গত বছর এই মাঠেই যে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

    স্কটল্যান্ডের সঙ্গে সেই জয়টা অনেক দিক দিয়েই মাশরাফিদের জন্য স্পেশাল কিছু হয়ে থাকবে। বিশ্বকাপে টিকে থাকার জন্য তো বটেই, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়টা যে সেবারই এসেছিল। আবার সেই নেলসনে ফিরে সেই স্মৃতি নিশ্চয় বাড়তি প্রেরণা দেবে বাংলাদেশকে। তামিম ইকবালের এই মাঠেই ৯৫ রানের একটা ইনিংস আছে। বাংলাদেশের ওপেনার নিজেও সেই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করতে চাইবেন!

    সেবারও বাংলাদেশের কোচ ছিলেন হাথুরুসিংহেই। সেই স্মৃতি মনে পড়ে যাচ্ছে তাঁর, “আমাদের এখানে ৩০০ তাড়া করে জিততে হয়েছিল। হাই স্কোরিং গ্রাউন্ড, ফাস্ট আউটফিল্ড। ব্যাট করার জন্য ভালো উইকেট থাকবে। ইতিহাস বলছে, এখানে আমরা ভালো খেলেছি। এটা দলের জন্য ভালো একটা স্মৃতি।”  

    ধারণা করা হচ্ছে, স্যাক্সটন ওভালের মাঠ স্পিনারদের জন্য একটু হলেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজ বা তানবির হায়দারও দলে ঢুকতে পারেন। কোচ অবশ্য একাদশের ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলেন, “হ্যাঁ পরিসংখ্যান বলছে স্পিনারদের জন্য উইকেট সাহায্যের হাত বাড়াতে পারে। তবে সেটা অন্য একটা ব্যাপার।”

    তবে এই নেলসনের সর্বশেষ ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে হেরে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে হলে বাংলাদেশকে নিশ্চয় শ্রীলঙ্কা থেকে প্রেরণা নিতে হবে!

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন