• ক্রিকেট

এক টেস্টেই থামতে চান না তাসকিন

পোস্টটি ৩৬৪৫ বার পঠিত হয়েছে

২০১১ সালে প্রথম শ্রেণীতে অভিষেক। এরপর ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে খেলেছেন সর্বশেষ প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ। এর মধ্যে আর বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি তাসকিন আহমেদের। বলতে গেলে একরকম প্রস্তুতি ছাড়াই টেস্টে অভিষেক হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের এই তরুণ পেসারের। তবে তাসকিন আশাবাদী, বিশেষ প্রস্তুতি টেস্টে তাঁকে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবে।

ওয়ানডে-টি টোয়েন্টিতে নিয়মিত মুখ হলেও টেস্ট অভিষেক এখনো হয়নি তাসকিনের। তবে আগামী পরশু থেকে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে সেটা হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তাসকিন নিজেও অভিষেকের অপেক্ষায় রোমাঞ্চিত, “এটা একটা স্বপ্নপূরণের মতো। আমি যে কটাই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি, তখন ওয়ানডে বা টি টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হলে চলে যেতাম। এবার সেটা হচ্ছে না। তার ওপর নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে সুযোগটা আসতে যাচ্ছে। নিজেকে আমি বেশ সৌভাগ্যবানই মনে করি। সুযোগ পেলে সেরাটাই দেব।”

কিন্তু হুট করে পাঁচ দিনের ম্যাচের সঙ্গে নিজেকে কীভাবে মানিয়ে নেবেন? তাসকিন জানালেন, সেজন্য গত বছর দেড়েক ধরেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন, আমার জন্য আলাদা প্রোগ্রাম ছিল, সে অনুযায়ী দেড় দুই বছর এগিয়েছি। কিছু প্র্যাকটিস ম্যাচও খেলেছি। ফিটনেসের অবস্থা এখন আগের চেয়ে ভালো বলেই সুযোগটা এসেছে। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে সামনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। এক টেস্টেই থেমে যেতে চাই না।”

তবে নেটের অনুশীলন আর আসল টেস্টের মধ্যে তো আকাশ পাতাল তফাত। তাসকিন নিজেও সেটি জানেন, "নেটে এমনও দিন গেছে ১২-১৫ ওভার বল করেছি। কয়েকটা স্পেলে বল করেছি । লাল বলে সুইং করানোর চেষ্টা করছি। আমি আগে সুইং একদমই পারতাম না, ন্যাচারালি যেটা হতো সেটাই। এখন কিছুটা করতে পারছি, আরও অনেক কিছু শিখছি। আমি বিশ্বাস করি টেস্ট খেলার সুযোগ পেলে অনেক কিছু শিখতে পারব।"  

গোটা সিরিজেই বাতাস বেশ ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। বেসিন রিজার্ভেও সেটা একটা সমস্যা হতে পারে। এই ব্যাপারটাও তাসকিনের মাথায় আছে, "এই কয়েকটা ম্যাচে ধারণা হয়েছে কীভাবে বল করতে হয়। আশা করি বাতাস যেটিকে টানবে ওইদিকে সুইং করানোর চেষ্টা করব। যে সব দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবে সে তত ভালো করবে।"