• নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ
  • " />

     

    নিকোলসের পর শুরুর উইকেটের ধাক্কা

    ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট

    চতুর্থ দিন, লাঞ্চ

    বাংলাদেশ ২৮৯ ও ২০-১ (সৌম্য ৯*, সাউদি ১-১২)
    নিউজিল্যান্ড ৩৫৪ (নিকোলস ৯৮, সাকিব ৪-৫০)

     

    ক্রাইস্টচার্চে এদিন সকাল থেকেই ঝলমল করছে রোদ। তবুও খেলা শুরু হলো দেরীতে। পিচ কাভার ফুঁড়ে পিচে ঢুকে পড়েছিল পানি, তা শুকাতেই লাগলো সময়। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের লেজটা ছাঁটতেও দেরী হয়ে গেল বাংলাদেশের। মাঝে বৃষ্টিতে হারিয়ে যাওয়া তৃতীয় দিনের আগে ১৯ রানের লিড ছিল বাংলাদেশের, নিউজিল্যান্ডের ছিল তিন উইকেট। ইনিংস শেষে নিউজিল্যান্ডই লিড নিল ৬৫ রানের।

     

    টিম সাউদি ও হেনরি নিকোলসের জুটিটা ৩০ রানের, নেইল ওয়াগনারের সঙ্গে নিকোলসের জুটি ৫৭ রানের। অথচ জুটি দুটিই হতে পারতো আরও ছোট। সাউদিকে রাব্বীর বলে দ্বিতীয় স্লিপে সুযোগ দিয়েছেন মেহেদী হাসান, ওয়াগনারকে গালিতে নাজমুল হোসেন।

     

    জুটি বড় হয়েছে, তবে সেঞ্চুরিটা পাওয়া হয়নি নিকোলসের। ২ রান দূরে থাকতে মেহেদীকে ডাউন-দ্য-গ্রাউন্ডে ড্রাইভ করতে গিয়ে হয়েছেন বোল্ড। শেষ উইকেট জুটিতে ১০ রানের বেশী তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড, নুরুল হাসানের দক্ষতায়। দ্বিতীয় রানটা প্রায় সম্পন্নই করেছিলেন ওয়াগনার, স্কয়ার লেগ থেকে পাঠানো থ্রোটা গ্লাভসবন্দী না করে স্ট্যাম্পের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন নুরুল। বল যখন বেলস তুলে ফেললো, ওয়াগনারের দুই পা মাটিতে, ব্যাটও ছোঁয়াননি মাটিতে!

     

    বোলারদের দায়িত্ব শেষ করে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও শট খেলার প্রবণতা দেখিয়েছেন বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানরা। চার মেরে শুরু করা তামিম ইকবাল সাউদির শর্ট বলে ক্যাচ দিয়েছেন ডিপ স্কয়ার লেগে। চতুর্থ দিন লাঞ্চে বাংলাদেশ গেছে ৪৫ রানে পিছিয়ে থেকে।

     

    তবে টেস্ট বাঁচাতে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদেরই নিতে হবে এগিয়ে যাওয়ার ‘বড়’ দায়িত্বটা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন