• নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    দ্বিতীয় ইনিংসে সেই পুরনো বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যর্থতার গল্পটা পুরনোই। ক্রাইস্টচার্চে আরও একবার সেই গল্পের পুনরাবৃত্তিতে খুব একটা বিস্ময়েরও কিছু নেই। চা বিরতি পর্যন্ত ১০০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের হারটাও এখন সময়ের ব্যাপার। তবে সেই কৃতিত্ব যতটা না নিউজিল্যান্ডের বোলারদের, তার চেয়েও অনেক বেশি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। যেভাবে বোলারদের পাতা ফাঁদে যেভাবে আয়োজন করে পা দিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা, পুরনো গল্পটাই আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছেন। 


    ৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই অধিনায়ক তামিম আউট হয়ে গেছেন শর্ট বলের ফাঁদে। একই ওভারে প্রথমবার বেঁচে গিয়েও আরেকবার ওই শর্ট বলেই পুল করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। 


    এরপর সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহ ইনিংসটা একটু মেরামতের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়েই ক্যাচ দিয়েছেন সৌম্য। সাকিবের আউটের দায়টা তো পুরোপুরি তাঁর নিজের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটা চাইলে ছেড়েই দিতে পারতেন। এর আগেও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু আলগা শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে। টিম সাউদিকে দিয়ে এলেন ২০০তম টেস্ট উইকেটও। পঞ্চম কিউই বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন সাউদি। 


    মাহমুদউল্লাহই একমাত্র একটু দেখেশুনে খেলছিলেন। কিন্তু নিয়াল ওয়াগনারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটা ব্যাট চালাতে গিয়ে বল টেনে আনলেন স্টাম্পে। সাব্বিরও ক্রিজে আসার পর থেকেই যেন ফিরে যাওয়ার জন্য ছটফট করছিলেন। ওয়াগনারের শর্ট বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন কোনো রান না করেই। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন