• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    মোহামেডানকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল দোলেশ্বর

    স্কোর

    দোলেশ্বর ৫০ ওভারে ২৬৪/৬ (নাফীস ৭১, মার্শাল ৫০, ইমতিয়াজ ৪৮; সাজেদুল ২/৩৫)

    মোহেমডান ৩৪.৫ ওভারে ১৬৭ (বিপুল শর্মা ৪৮, শরীফ ৩/৩২)

    ফলঃ দোলেশ্বর ৯৭ রানে জয়ী


    দোলেশ্বরের জন্য ম্যাচটা ছিল অলিখিত সেমিফাইনাল। শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচটা জিততেই হবে। মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহামেডানকে ৯৭ রানে হারিয়েই আশা বাঁচিয়ে রাখল তারা। এখন গাজী গ্রুপের সঙ্গে শেষ ম্যাচটা কার্যত ফাইনাল, এবারের প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন নিষ্পত্তি করে দেবে ওই ম্যাচটাই।

    ফতুল্লায় আজ দোলেশ্বরের শুরুটা ভালো হয়নি, মাত্র ২৯ রানেই ফিরে গিয়েছিলেন ওপেনার জাকিল আলী অনিক। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ইমতিয়াজ হোসেনের সঙ্গে নাফীসের ৭৯ রানের জুটিটাই পথ দেখিয়েছে তাদের। ৪৮ রান করে ইমতিয়াজ ফিরে গেলেও নাফীস পেয়ে গিয়েছিলেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেঞ্চুরি থেকে ৩০ রান দূরে থেমে যেতে হয়েছে।

    তবে নাফীস ফিরে গেলেও এরপর দোলেশ্বরের হাল ধরেছেন মার্শাল আইয়ুব ও ভারতের রজত ভাটিয়া। দুজন দ্রুত বেশ কিছু রান যোগ করে ২০ও পার করে ফেলেছেন। ৬০ বলে ৫০ রান করেছেন মার্শাল, রজত আউট হয়েছেন ৩২ বলে ৩৭ রান করে।। শেষ দিকে দ্রুত আরও কিছু রান তুলতে না পারায় স্কোরটা খুব বড় হয়নি।

    তবে মোহামেডাব শুরু থেকেই বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে শুরু করে। উইকেটও হারাতে থাকে শুরুতেই। দলের ২১ রানেই ফিরে যান ওপেনার সৈকত আলী। রনি তালুকদারও ফিরে গেছেন ১ রান করেই। এরপর শামসুর রহমানের সঙ্গে  বিপুল শর্মার ৬৯ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি যা একটু আশা দেখাচ্ছিল। কিন্তু এই দুজন চলে যাওয়ার পর আবার পথ হারায় মোহামেডান। শেষ পর্যন্ত ধুঁকতে ধুঁকতে অলআউট হয়ে গেছে ১৬৭ রানেই।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন