• শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে
  • " />

     

    রাজা-ওয়ালারে জিম্বাবুয়ের দিন

    জিম্বাবুয়ে ৩৫৬ ও ২৫২/৬ (রাজা ৯৭*, ওয়ালার ৫৭*; হেরাথ ৪/৮৫)

    শ্রীলঙ্কা ৩৪৬ (চান্ডিমাল ৫৫; ক্রেমার ৫/১২৫)


    দিনের শুরুটা ছিল জিম্বাবুয়ের। এরপর রঙ্গনা হেরাথের ছোবলে আবার ম্যাচের পাল্লা হেলেছে শ্রীলঙ্কার দিকে। তবে এর পর সিকান্দার রাজা-ম্যালকম ওয়ালাররা আবার ম্যাচে ফিরিয়েছেন জিম্বাবুয়েকে। কলম্বো টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে পাল্লাটা আবার হেলল জিম্বাবুয়ের দিকেই। এর মধ্যেই তাদের লিড হয়ে গেছে ২৬২ রান। হাতে আছে ৩ উইকেট। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, দেশের মাটিতে ১৭৫ রানের বেশি তাড়া করে মাত্র তিন বার জিতেছে শ্রীলঙ্কা।

    ৭ উইকেটে ২৯৩ রান দিয়ে আজ দিন শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। আগের দিনের সঙ্গে কোনো উইকেট না হারিয়ে যোগ করে ফেলেছিল ২৯ রানও। এরপরেই ২২ রানে ফিরে যান হেরাথ। ২০ বলে ১৪ রান করে ফিরে যান লাকমলও। অন্য প্রান্তে ভরসা হয়ে থাকা গুনারত্নেও বেশিক্ষণ থাকেননি, ক্রেমারের পঞ্চম শিকার হয়ে ফিরে গেছেন ৪৫ রান করে। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংস থেকে ১০ রান দূরেই থেমে গেছে শ্রীলঙ্কা।

    কিন্তু সেই লিডটাই হেরাথ এরপর অনেক ব মনে করাচ্ছিলেন। নতুন বল হাতে নিয়ে ছোবল দিয়েছেন চতুর্থ ওভারেই, চাকাভা আউট ৬ রানে। এক ওভারেই আবার হেরাথের আঘাত, এবার শিকার মুসাকান্দা। সেই ধারা বজায় রেখে পরের ওভারে ফেরালেন মাসাকাদজাকে, ১৭ রানেই জিম্বাবুয়ে হারিয়েছে ৩ উইকেট। পেরেরা এরপর বড় একটা দাও মারলেন, আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান এরভিনকে ফেরালেন ৮ রানে। ২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে তখন কাঁপছে। উইলিয়ামস একটু চেষ্টা করেছিলেন হাল ধরার, কিন্তু দলের ৫৯ রানের মাথায় আউট হয়ে গেলে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে বলেই মনে হচ্ছিল।

    এরপরেই মুরকে নিয়ে সিকান্দার রাজার ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন মিলে যোগ করলেন ৮৬ রান। মুরকে ৪০ রানে লাহিরু কুমারা ফিরিয়ে দিলেও সেটিই হয়ে থাকে শেষ সেশনে শ্রীলঙ্কার একমাত্র উদযাপন। ওয়ালারের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ১০৭ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার নিজেদের মুঠোয় নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৩ রান দূরত্বে রাজা, ওয়ালারও পেয়েছেন ফিফটি।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন