• মাস্টার্স ক্রিকেট ২০১৭
  • " />

     

    ফাইনালে মুখোমুখি এক্সপো-রাজশাহী

    হাসানুজ্জামান ঝড়ু টেনে মারতে গেলেন মঞ্জুরুল ইসলামকে। লং-অফে জাভেদ ওমরের হাতে ক্যাচ বনে গেলেন, সহজ লক্ষ্যটা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে গেল টাইটানস খুলনার কাছে। সে কঠিনতর কাজটা আর করতে পারলো না হাবিবুল বাশারের দল। একমি রাজশাহী উঠে গেল মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালের ফাইনালে। আগামীকাল কক্সবাজারের শেখ কামাল স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ এক্সপো অলস্টারস।

    প্রথম সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৭ রানের মাঝেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করেন অধিনায়ক খালেদ মাসুদ। তার ২৬ বলে ২৪ ও আলমগীর কবিরের সঙ্গে ৩০ রানের জুটিতে ১৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৯২ রান তোলে রাজশাহী। বাবু ও পল্টু দুজনই নিয়েছেন ২টি উইকেট, ২২ রান দিয়ে।

    জবাবে ঠিকপথেই ছিল খুলনা, ১৭ বলে ১৬ দরকার ছিল ৬ উইকেট হাতে নিয়ে। খুলনা আটকে গেল ৩ রান দূরে থাকতে, ৩ উইকেট হাতে নিয়েই! ব্যাটিংয়ে ১৭ রানের পর বোলিংয়ে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা আলমগীর কবির।

    খুলনার মতো সহজ লক্ষ্য ছিল না বসুন্ধরা ঢাকা ডিভিশনের। প্রথমে ব্যাটিং করে এক্সপো অলস্টারস করেছিল ১১৩। ভিত্তিটা আগের ম্যাচের মতো গড়ে দিয়েছিলেন এহসানুল হক সেজান। ৪০ বলে ৬৪ রান করতে এই ওপেনার মেরেছেন ৪টি চারের সঙ্গে ৫টি ছয়।

     

    ৫ বল বাকি থাকতে ৯৭ রানেই অল-আউট হয়ে গেছে ঢাকা। অধিনায়ক সানোয়ার হোসেনের ১৭ বলে ২৩ বা মোহাম্মদ রফিকের ১৩ বলে ১৭ রানের ইনিংসও ফাইনালের পথ দেখাতে পারেনি তাদের। শুরুটা অবশ্য ভালই করেছিলেন ঢাকার দুই ওপেনার, নাইমুর রহমান দূর্জয় ও হুমায়ুন কবির। সেটা যথেষ্ট হয়নি শেষ পর্যন্ত। তালহা জুবায়ের নিয়েছেন ২৮ রানে ৩ উইকেট, করেছেন হ্যাটট্রিক। মাসুদুর রহমান মুকুল ২টি নিয়েছেন ১৫ রানে। সেজান টানা দ্বিতীয়বার হয়েছেন ম্যাচসেরা।
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন