• অস্ট্রেলিয়ার আরব আমিরাত সফর
  • " />

     

    যে রান-আউটে ভাষা হারিয়ে ফেলবেন আপনিও

    ভিডিও সৌজন্য- ক্রিকইনজিফ


    অবশ্যম্ভাবী আর নিশ্চিত- এ দুইয়ের মাঝে একটা ব্যবধান আছে। হতে চলেছে নিশ্চিতভাবেই, আর হয়ে গেছে নিশ্চিতই- এই পর্যায়ের ক্রিকেটে এ দুইয়ের মাঝের পার্থক্যটা বুঝার কথা তাদের। এমনকি পাকিস্তান ক্রিকেটের অদ্ভুত কান্ডকারখানাকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে ১৩০ টেস্টের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আজহার আলি ও আসাদ শফিকের এই কান্ড। আবুধাবিতে দুজন মিলে জন্ম দিয়েছেন ক্রিকেটের অদ্ভুতুড়ে রান-আউটগুলোর একটি। বল বাউন্ডারির সামনে থেমে গেছে, অথচ দুজনের কেউই খেয়াল করেননি সেটা! 

    তৃতীয় দিন সকালের নবম ওভারে পিটার সিডলের বলে গালি দিয়ে খেলেছিলেন আজহার, বল সে ফিল্ডারকে পেরিয়ে গিয়েছিল। নিশ্চিত বাউন্ডারি ভেবে আজহার দৌড় থামিয়ে দিলেন মাঝপথে। আসাদ শফিকও যোগ দিলেন তার সঙ্গে আলাপচারিতায়। কী নিয়ে আলাপ করছিলেন তারা? টেস্টের অবস্থা? আবহাওয়া? ব্রেকফাস্টে কী খেয়েছেন? যে আলাপই করুন, আউটফিল্ডের অবস্থা একবার আলোচনায় উঠলেও তারা হয়তো বুঝতেন, কী হতে চলেছে। 

    আজহার-শফিক যখন আলাপে মশগুল, ওপাশে বলের পেছনে তাড়া করেছেন মিচেল স্টার্ক। ধীরগতির আউটফিল্ডে বল থেমে গেছে সীমানারেখার আগেই, স্টার্ক সেটা তুলে থ্রো করলেন পেইনের দিকে। আজহার-শফিকের ভাবান্তর নেই তখনও, থ্রোটা পেইন ধরার আগমুহুর্তে ছিলেন একটু উত্তেজিত। সেদিকে তাকিয়ে থাকলেন আজহার, বুঝে উঠতে পারেননি তখনও! 

    পেইন বলে ধরে স্টাম্প ভাঙলেন, মাতলেন উল্লাসে। 

    আজহার যখন বুঝলেন তখন তার কিছুই করার থাকলো না, ড্রেসিংরুমের পথ ধরা ছাড়া। আর আপনি যখন এটা জানলেন, তখন হয়তো আপনারও বলার থাকলো না কিছুই! 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন