• অস্ট্রেলিয়ার আরব আমিরাত সফর
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে পাকিস্তানের দশে দশ

     

    স্কোর

    পাকিস্তান ২০ ওভারে ১৪৭/৬ ( বাবর ৪৫, হাফিজ ৪০, কোল্টার নাইল ৩/১৮)

    অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে ১৩৬/৮ ( ম্যাক্সওয়েল ৫২, কোল্টার নাইল ২৭, শাদাব ২/৩০)

    পাকিস্তান ১১ রানে জয়ী

     

    শেষ ওভারে দরকার ২৩ রান। শাহিন আফ্রিদির ওভারের প্রথম বলেই লং অনের ওপর দিয়ে ছয় মারলেন কোল্টার নাইল, জমে উঠল ম্যাচ। পরের পাঁচ বলে পাঁচ রানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে  শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে জয় এনে দিলেন আফ্রিদিই। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১১ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিল সরফরাজ আহমেদের দল। এই নিয়ে টানা দশ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল তারা।

    আগের ম্যাচের মতো এবারো অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১৪৮ রান তাড়া করতে নেমে অবশ্য গতদিনের মতোই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অ্যারন ফিঞ্চের দল। ১৪ ওভারের মাঝে ৭৩ রানেই প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। আগের ম্যাচের মতো ১০০ই পেরোতে না পারার শঙ্কাও ছিল। চার ওভার বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে অজিদের রানের গতিও আটকে রেখেছিলেন ইমাদ ওয়াসিম, হয়েছেন ম্যাচসেরাও।

    সেটা হয়নি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের কল্যাণে। মিচেল মার্শ ও কোল্টার নাইলকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের আশা দেখাচ্ছিলেন ম্যাক্সওয়েল। চার ৪ ও দুই ছয়ে ৩৭ বলে ম্যাক্সওয়েল করেন ৫২ রান। ২১ রান করে মার্শ ফিরলেও ম্যাক্সওয়েল ও কোল্টার নাইল শেষ ওভার পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। শাহীন আফ্রিদির শেষ ওভারে অবশ্য ফিরতে হয়েছে দুজনকেই। অস্ট্রেলিয়াও তাই জয়ের মুখ দেখতে পারেনি। গত ম্যাচের মতো কালও তিন অংক ছুঁয়েছেন মাত্র তিনজন।

    টসে জিতে ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল পাকিস্তান। ২৯ রানের মাথায় ফখর জামান ফেরার পর জুটি গড়েন বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজের। দুজনের ৭০ রানের জুটি বড় স্কোরের ভিত গড়ে দিয়েছিল। দলীয় ৯৯ রানের মাথায় ৪০ রান করা হাফিজ ফিরলে খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। সাত রান পরেই ফেরেন বাবর, করেছেন ৪৫ রান।

    দ্রুত দুই সেট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে রানের গতি মন্থর হয় পাকিস্তানের। সেই ধাক্কাটা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। শেষের দিকে ফাহিম আশরাফের ১৭ রানের সুবাদে ১৪৭ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান। সেটাই অবশ্য শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট প্রমাণিত হয়েছে।