• অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলংকা সিরিজ
  • " />

     

    স্মিথ-ওয়ার্নারের তৈরি করা আরেক শুন্যতা

    শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের জন্য নয়, স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের অনুপস্থিতি তরুণ ক্রিকেটারদের শেখার পথেও একটা শুন্যতা তৈরি করেছে বলে মনে করেছেন পেসার জশ হ্যাজলউড। হ্যাজলউড- যিনি নিজেও অস্ট্রেলিয়ার নতুন অধিনায়কত্ব গ্রুপের সদস্য- বলছেন, শুধুমাত্র কোচের কাছ থেকে শেখাটা যথেষ্ট নয় তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য। 

     

     

    স্মিথ-ওয়ার্নারের অনুপস্থিতিতে ‘সিনিয়র ক্রিকেটার’-এর অভাবও টের পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজে এটা প্রতীয়মান ছিল বলেই মনে করেন টিম পেইনের সহকারিদের একজন হ্যাজলউড। শেষ অক্টোবরে পাকিস্তানের বিপক্ষে উসমান খাওয়াজার সেঞ্চুরির পর একটা লম্বা সময় সেঞ্চুরির দেখা পাননি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ক্যানবেরা টেস্টে পূরণ হয়েছে যে অভাবটা। 

     

    খাওয়াজা বা শন মার্শ ঠিক কতটা সিনিয়রদের ভূমিকা নিতে পারেন- প্রশ্ন আছে সেটা নিয়েও। বিশেষত তাদের ফর্মও ঠিক ধারাবাহিক নয়, বাদও পড়েছিলেন মার্শ। হ্যাজলউড বলছেন, মার্কাস হ্যারিস, ট্রাভিস হেড, মার্নাস ল্যাবুশেনের মতো ব্যাটসম্যানরা ভুগেছেন সঠিক দিক-নির্দেশনার অভাবে, “যখন আপনি তরুণ কাউকে আনবেন শীর্ষ ছয়ে খেলার জন্য, তখন কোনও সিনিয়রকে কাছে পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জিনিস আছে, কোচ হিসেবে যেগুলো শেখানো যায় না। সিনিয়র কারও কাছে উইকেটে গিয়ে সেসব শিখতে হয়। আমার তাই মনে হয়, তারা ফিরলে তরুণরা অনেক কিছু পাবে।” 

    আর বোলার হিসেবে ব্যাটসম্যান স্মিথের শুন্যতাটাও বুঝছেন হ্যাজলউড, “যখনই স্মিথ ব্যাটিং করতে যায়, তখনই যেন সেঞ্চুরি পায়। এটা বোলারদের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমবারের মতো মনে হয় আমাদের শীর্ষ ছয় ব্যাটসম্যানের কেউই সিনিয়র না। আমার মনে হয়, তরুণ ব্যাটসম্যানদের সবকিছুই- ম্যাচে বা অনুশীলনে- তাই কোচদের কাছ থেকে শিখতে হচ্ছে।” 

    বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে স্মিথ-ওয়ার্নারদের। তবে এ সময়ে তারা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি, কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের মতে তাদেরকে দলে নেওয়ার আগে সেটাও দেখা হবে যে, এ সময়ে তারা ঠিক কতোটা ক্রিকেট খেলেছেন। সঙ্গে তাদের চোট নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা। এর আগে বলা হয়েছিল, স্মিথকে বিশ্বকাপ দলে ফেরানোর ব্যাপারে ঠিক তাড়াহুড়ো করতে চায় না ম্যানেজমেন্ট। বিশ্বকাপের পরই ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া।