• লা লিগা
  • " />

     

    • লা লিগা

    অবশেষে বার্সেলোনায় যাচ্ছেন গ্রিযমান

    মাসখানেক আগেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন আঁতোয়া গ্রিযমান। পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে শোনা যাচ্ছিল বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের নাম। গ্রিযমান নিজেও জানিয়েছিলেন, এখনও দলবদল নিশ্চিত না হলেও তিনি জানেন আগামী মৌসুমে কোন দলের জার্সি গায়ে জড়াবেন তিনি। তার পরবর্তী ঠিকানা এবার নিশ্চিত করে দিলেন অ্যাটলেটিকো সিইও মিগেল আনহেল গিল মারিন। আগামী মৌসুমে বার্সেলোনার জার্সিতেই দেখা যাবে ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডকে, গত মার্চেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন মারিন।

    গ্রিযমানের বার্সার যোগ দেওয়ার ঘোষণাটা আসতে পারত ২০১৭-১৮ মৌসুম শেষেই। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ছেড়ে আঁতোয়া গ্রিযমানের বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রীতিমত ঢাকঢোল পিটিয়ে, ডকুমেন্টারি বের করে গ্রিযমান জানিয়েছিলেন; ভালবাসার টানে অ্যাটলেটিকোতেই থাকছেন তিনি। কিন্তু বছর ঘুরতেই আবারও রীতিমত 'ইউ টার্ন' নিলেন তিনি। গতবার বার্সাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু এবার নিজেই কাতালানদের দলে যোগ দিতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন। বেতন কমিয়ে হলেও বার্সায় আসতে চান গ্রিযমান, জানিয়েছিল স্পোর্ট। বার্সার বিরুদ্ধে অ্যাটলেটিকোকে না জানিয়ে গ্রিযমানের সাথে গোপনে চুক্তি করে ফেলার অভিযোগও তুলেছিলেন মারিন। জানিয়েছিলেন, ইউয়েফার কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও জানাবে অ্যাটলেটিকো। কিন্তু গ্রিযমানের বার্সায় যোগ দেওয়ার খবর নিশ্চিত করার দিনে এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি অ্যাটলেটিকোর সিইও।

     

     

    ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও গত সপ্তাহে ইউরো বাছাইপর্বে ফ্রান্সের হয়ে অ্যান্ডোরার বিপক্ষে ম্যাচের পর গ্রিযমান নিজেই নিশ্চিত করেছিলেন, আগামী মৌসুমে কোথায় খেলবেন; সেটা এরই মাঝে নিশ্চিতভাবে জানেন তিনি। কিন্তু বার্সেলোনার আক্রমণে তিনি কোন জায়গায় খেলবেন, সে বিষয়ে সন্দেহ আছে বেশ। মূল স্ট্রাইকার হিসেবে আছেন লুইস সুয়ারেজ, দুই প্রান্তে আছেন লিওনেল মেসি এবং উসমান ডেম্বেলে। ফিলিপ কুতিনিয়োর বার্সার ছাড়ার জোর গুঞ্জন শোনা গেলেও এখনও কাতালানদের দলেই আছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। সব মিলিয়ে আগামী মৌসুমে বেশিরভাগ সময় গ্রিযমানকে বার্সার বেঞ্চে দেখা গেলেও তাই হয়তো অবাক হওয়ার অবকাশ থাকছে না তেমন একটা।

    মাত্র ১৮ বছর বয়সে রিয়াল সোসিয়াদাদে যোগ দিয়ে লা লিগায় এসেছিলেন গ্রিযমান। ৫ বছর পর যোগ দেন অ্যাটলেটিকোতে। ডিয়েগো সিমিওনের দলে কাটিয়েছেন ৬ মৌসুম; ২বার খেলেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে, জিতেছেন ইউরোপা লিগ, স্প্যানিশ এবং ইউরোপিয়ান সুপারকাপ। ফ্রান্সের হয়ে গত বছরই জিতেছিলেন বিশ্বকাপ।