• ইউরো বাছাইপর্ব
  • " />

     

    • ইউরো বাছাইপর্ব

    রামোসকে একজন রোল মডেল মনে করেন স্পেন কোচ

    স্পেনের পরবর্তী ইউরো বাছাইপর্বের ম্যাচে ফারো আইল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামলে ছুঁয়ে ফেলবেন ইকার ক্যাসিয়াসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড (১৬৭)। একজন সেন্টারব্যাক হয়েও 'লা রোহা'দের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দশম স্থানে আছেন সার্জিও রামোস। ক্যাসিয়াস পরবর্তী যুগে স্পেনকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকেই, দলকে গেঁথেছেন এক সূতোয়। শুধু সতীর্থদের নয়, দলের সাথে মানিয়ে নিতে নতুন কোচ রবার্ত মরেনোকেও সাহায্য করেছেন স্পেনের অধিনায়ক। সেজন্য রামোসের বন্দনায় মেতেছেন মরেনো; স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে একজন রোল মডেল মনে করেন তিনি।

     

     

    ফারো আইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অধিনায়কের প্রশংসায় মেতেছিলেন মরেনো, 'তাকে যত বেশি জানি, সে আমাকে ততই বিস্মিত করে। সে সবার জন্য উদাহরণ স্বরূপ, একজন রোল মডেল এবং সে আমাকেও অনেক সাহায্য করছে। সে আমাকে প্রতিদিনই দারুণ সমর্থন দিচ্ছে এবং দল নিয়ে আমার চিন্তাভাবনাগুলো ছেলেদের বুঝাতে সাহায্য করছে। তার সাথে যেকোনও বিষয়ে কথা বলা যায়। সে সমালোচনাও ভালভাবে নেয়, যা এই পর্যায়ে বেশ দুর্লভ। সবকিছুই সে বেশ সহজ করে তোলে।'

     

     

    শুধু মরেনো নন, রামোসের অর্জনে বিস্মিত তার সতীর্থ সার্জিও বুস্কেটসও, 'ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে তার অর্জন রীতিমত অবিশ্বাস্য। তার সাথে খেলতে পেরে আমরা গর্বিত।' ২০০৮ সালে স্পেনের ইউরো জেতা দলের প্রায় সবাই অবসরে গেলেও এখনও 'লা রোহা'দের হয়ে নিজের সেরাটাই দিয়ে যাচ্ছেন রামোস। বুস্কেটস, মরেনোর মত রামোসের প্রশংসায় মেতেছেন ফারো আইল্যান্ড কোচ লার্স ওলসেন, 'সে একজন স্পেশাল ফুটবলার, বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডারদের একজন। সে খুবই শক্তিশালী একজন ডিফেন্ডার, কিন্তু কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ায় মাঝেমধ্যেই সে লাল কার্ড দেখে থাকে যা চাইলেই সে এড়িয়ে যেতে পারত। ফাউল করার এই প্রবণতা বাদে তাকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি।'