• আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৫
  • " />

     

    নয় ডলার থেকে দুই বছর নিষেধাজ্ঞা!

    বাজি ধরার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার এক প্রমীলা ক্রিকেটারকে দুই বছরের ‘স্থগিত নিষেধাজ্ঞা’ দেয়া হয়েছে। এই শাস্তির আওতায় অ্যাঞ্জেলা রিক্স নামের ঐ তরুণীকে এখনই কোন ধরণের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হচ্ছে না, তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের অপরাধ পুনরায় করলে এই শাস্তি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস ব্রেকার্স ও সিডনি সিক্সার্স প্রমীলা দলের এই লেগ স্পিনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি গত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ফাইনালের ‘ম্যাচসেরা’ কে হবেন এই নিয়ে বাজি ধরেছিলেন।

     

     

    খবরে প্রকাশ, রিক্স ৯ অস্ট্রেলিয়ান ডলার মূল্যমানের পাঁচটি বাজি ধরেন। এর মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ার দুর্নীতি বিরোধী নীতিমালার ২.২.১ নং অনুচ্ছেদ ভঙ্গ করেছেন। ওই নীতিমালা প্রকাশের পর এই প্রথম দেশটির কোন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলো। শাস্তির অংশ হিসেবে ২৪ বছর বয়সী এই নারী ক্রিকেটারকে এ ধরণের ‘অনৈতিক’ কর্মকাণ্ড বিরোধী একটি বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় কাজ করতে হবে।

     

     

    ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ‘ইন্টেগ্রিটি ইউনিট’-এর প্রধান ইয়ান রয় আশা করছেন এ ঘটনা থেকে অন্যান্য ক্রিকেটাররা আরও সতর্ক হবেন, “সকল সম্মানিত ক্রিকেটারকে নিয়মিত স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে যে, যে কোন ধরণের ক্রিকেটে বাজি ধরা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। সিএ’র বার্ষিক দুর্নীতিবিরোধী প্রশিক্ষণে এটি পরিষ্কারভাবেই বলে দেয়া হয় এবং আমাদের আচরণবিধিতেও স্পষ্টভাবে এর উল্লেখ আছে।...অ্যাঞ্জেলা বুঝতে পেরেছেন যে এই কাজের মাধ্যমে তিনি বাজে একটা ভুল করে ফেলছেন এবং এই ভুলের ভয়াবহতা সম্পর্কেও তিনি ওয়াকিবহাল। অনুসন্ধানের সময় তিনি যথেষ্টই সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন এবং আমরা বিশ্বাস করি এ ধরণের পরিস্থিতিতে শাস্তিটা যুক্তিযুক্ত।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন