• চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    'শেষের দিকে মনে হয় টটেনহামের সবাই হাল ছেড়ে দিয়েছিল'

    স্কোরলাইনটা দেখে হয়তো অনেকের বিশ্বাসই হবে না। গতবারের রানার্সআপ টটেনহাম যখন ঘরের মাঠে সাত গোল হজম করে, অবাক হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। সার্জিও গ্যানাব্রির চার গোল পাওয়ার রাতে টটেনহামের মাঠে রীতিমত তান্ডব চালিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ৭-২ গোলের এমন হারের পর স্পার্স কোচ মাউরিসিওও পচেত্তিনো স্বীকার করে নিলেন, শেষের দিকে তার দল কিছুটা হাল ছেড়ে দিয়েছিল বলেই হারের ব্যবধানটা এত বড় হয়েছে। 

    ম্যাচের ১২ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল টটেনহামই। এরপর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে গ্যানাব্রিরাই। শেষ ১০ মিনিটে টটেনহাম হজম করেছে তিন গোল। ঘরের মাঠে এই প্রথম এক ম্যাচে সাত গোল খেয়েছে স্পার্স। ম্যাচের পর পচেত্তিনো জানালেন, শেষের দিকে হাল ছেড়ে দিয়েছিল টটেনহামের ফুটবলাররা, ‘ম্যাচের শেষের দিকে আমরা যখন তিন গোল হজম করলাম, তখন দল ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তারা কিছুটা হালও ছেড়ে দিয়েছিল মনে হয়। আমরা ৮৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে ভালোভাবেই ছিলাম। আমরা লড়াই করছিলাম, তৃতীয় গোলের জন্য আক্রমণও। কিন্তু বায়ার্ন অবিশ্বাস্য খেলেছে। ম্যাচের শেষের দিকে সবাই খুব হতাশ হয়ে পড়েছিল।’ 

    সাত গোল হজম করে কী ভাবছেন পচেত্তিনো? 

     

    প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ খেলেছে টটেনহাম, স্বীকার করে নিচ্ছেন পচেত্তিনো, ‘আমরা খুবই হতাশ। সাত গোল হজম করাটা খুব কঠিন। কিন্তু এমন পরিস্থিতি আপনাকে সামলাতেই হবে। যখন আমরা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলেছিলাম, সিটি-আয়াক্সের সাথে জয় পেয়েছিলাম, তখন ভালো খেলার ব্যাপারটা বলতে পেরেছি। এখন একই মুখে আমাকে বলতে হচ্ছে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারিনি।’ 

    শেষ পাঁচ ম্যাচের মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে টটেনহাম। গত সপ্তাহে চতুর্থ বিভাগের দল কোলচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হেরে কারাবাও কাপ থেকেও বিদায় নিয়েছে পচেত্তিনোর দল। পচেত্তিনো মানছেন, এই মৌসুমটা খুব কঠিন হবে তাদের জন্য, ‘এবার খুব কঠিন একটা মৌসুম হবে। আমরা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলেছি, সেটা এখন অতীত। এখন আমাদের নতুন করে লক্ষ্য স্থির করতে হবে।’