• ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    ৪২ রান ও দুই পরাজয় নিয়ে এবারের সিপিএল শেষ হলো লিটনের

    আগের ম্যাচে হেরেই নিশ্চিত হয়েছিল, প্লে অফ আর খেলা হচ্ছে না। সিপিএলের লিটন দাসের দল জ্যামাইকা তালাওয়াসের শেষ ম্যাচটা ছিল আজ। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে শেষটাও হলো লিটনদের ভুলে যাওয়ার মতো। ৭৭ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে তারা। লিটনের সামান্য একটু সান্ত্বনা থাকতে পারে, দলের সর্বোচ্চ রান যৌথভাবে তিনিই করেছেন।

    অথচ ম্যাচের শুরুতে ছবিটা ছিল পুরোপুরি অন্যরকম। প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে ফিরে যান গায়ানার ব্রেন্ডন কিং ও শিমরন হেটমেয়ার। আবার দ্বিতীয় ওভারের প্রথম দুই বলে গ্রিন ফিরিয়ে দেন চন্দরপল হেমরাজ ও নিকোলাস পুরানকে। পর পর চার বলে চার উইকেট হারিয়ে বসে গায়ানা। সেখান থেকে হাল ধরেন শোয়েব মালিক ও শেরফানে রাদারফোর্ড। পঞ্চম উইকেটে দুজন যোগ করেন ৮২ রান। রাদারফোর্ড ৪৫ রান করে আউট হয়ে গেলেও মালিক ছিলেন শেষ পর্যন্ত। ৪৫ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন, পাঁচটি চারের সঙ্গে মেরেছেন দুইটি ছয়। প্রথম দিকে যেটা প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে ১৫৬ রানের লড়াই করার পুঁজি পেয়ে যায় গায়ানা।

    এই রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপদে জ্যামাইকা। মুখোমুখি প্রথম বলেই ফিরে গেছেন সিপিএলে ফ্লপ ক্রিস গেইল, ১৬ রানে চ্যাডউইক ওয়ালটনও আউট হয়ে গেলে নামেন লিটন। ষষ্ঠ বলে হেমরাজের বলে পেয়ে যান নিজের প্রথম চার। খেলছিলেন সতর্কতার সাথেই, ১২তম ওভারে কাইস আহমেদের বলে পেয়ে যান পরেরটি। তবে রান তুলতে সংগ্রাম করতে হচ্ছিল। ওই ওভারেই আউট হয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু সহজ ক্যাচ ফেলে দিয়েছেন কিমু পল। যদিও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি ভালোভাবে, দুই ওভার পরেই সেই পলের বলেই আউট হয়ে গেছেন। শর্ট বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে উপহারই দিয়ে এসেছেন উইকেট। আউট হয়ে গেছেন ২৫ বলে ২১ রান করে।

    তার আগেই অবশ্য জ্যামাইকা ৬৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। এরপর আর বেশিক্ষণ টেকেনি তারা, ১৬.৩ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ৭৯ রানে। গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে লিটনের ২১ রানই শেষ পর্যন্ত হয়ে থেকেছে দলের সর্বোচ্চ। পর পর দুই ম্যাচে ২১ রান করে দুই হারে শেষ হয়ে গেল লিটনের সিপিএল অধ্যায়।