• দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত সফর
  • " />

     

    দক্ষিণ আফ্রিকাকে হোয়াইটওয়াশ করে ভারতের ইতিহাস

    স্কোর 

    ভারত ৪৯৭/৯ ডিক্লে
    দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬২ ও ১৩৩ (ব্রুইন ৩০; শামি ৩/১০, নাদিম ২/১৮)

    ভারত ইনিংস ও ২০২ রানে জয়ী 
     

    খেলা শেষ হয়ে যেতে পারত গতকালই। তৃতীয় দিনের শেষভাগে কনকাশন বদলি হিসেবে নামা থিউনিস ডি ব্রুইনের প্রতিরোধে ভারতের জয় খানিকটা বিলম্বিত হয়েছিল। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল দুই উইকেট। আজ মাত্র ১২ বলের মাঝেই গুটিয়ে গেলো প্রোটিয়াদের ইনিংস। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ইনিংস ও ২০২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল বিরাট কোহলির দল। ইনিংস ব্যবধানের হিসেবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে এটাই ভারতের সবচেয়ে বড় জয়।

    আজ দিনের প্রথম ওভারে মোহাম্মদ শামিকে ভালোভাবেই সামলেছেন ডি ব্রুইন। শাহবাজ নাদিমের পরের ওভারের শেষ দুই বলেই পড়েছে দুই উইকেট। পঞ্চম বলটা অনেক নিচু হয়ে এসেছিল। ব্রুইনের ব্যাটের কানায় লেগে সেটা চলে যায় উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহার হাতে। 

    পরের বলেই লুঙ্গি এনগিদি নাদিমকে উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন। সেটা ক্রিজের অন্য প্রান্তে থাকা নরজের হাতে লেগে সরাসরি এসে পড়ে নাদিমের হাতে। এই অদ্ভুতুড়ে আউটের সাথেই শেষ হয় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। 

    এই জয়ে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত। আগের টেস্টের মতো এবারও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে ফাফ ডু প্লেসির দল। ১৯৩৫- ৩৬ সালের পর এই প্রথম টানা দুই টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারল প্রোটিয়ারা। ২০০৫-০৬ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এই প্রথম টেস্ট সিরিজে সবগুলো ম্যাচ হারল তারা। ইনিংস ব্যবধানে হারের হিসেবে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার চতুর্থ বড় হার।

    এই সিরিজ জয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও শীর্ষে আছে ভারত। ৫ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট ২৪০। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন