• বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ধর্মঘট
  • " />

     

    বিসিবির সঙ্গে বৈঠক চলছে ক্রিকেটারদের

    নতুন করে ১৩ দফা দাবি দেওয়ার পর নিজেদের মধ্যে বসেছিলেন ক্রিকেটাররা। এরপর সাকিবরা গুলশান থেকে মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সোয়া নয়টায় শুরু হওয়া এই বৈঠক এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলছে। 

    ১১ দফা দাবি ছিল আগেই। তার সঙ্গে আজ আরও দুই দফা দাবি যোগ হলো ক্রিকেটারদের। আজ গুলশানের এক হোটেলে আইনজীবি মোস্তাফিজুর রহমান খানের মাধ্যমে নিজেদের এই নতুন দাবির কথা জানিয়েছেন সাকিবরা। এর মধ্যেই বিসিবির কাছে এই দুই দফা দাবি চিঠি আকারে পাঠানো হয়েছে। তবে এই চিঠি কোনো আইনি নোটিশ নয় বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    মোস্তাফিজুর রহমান খান বলেছেন, এই দাবিগুলো মেনে নেওয়া হলে খুব শিগগিরই অনুশীলনসহ অন্যান্য ক্রিকেটীয় কর্মকান্ডে ফিরবেন সবাই। বলেছেন, কারও উস্কানি বা চক্রান্তে নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটকে একটি পেশাদার ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে আনার জন্য এই আন্দোলন করছেন ক্রিকেটাররা। তার আগে এই দাবিগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবায়ন চান তারা। এর মধ্যেই নিজেদের মধ্যে আবার বসেছেন ক্রিকেটাররা। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বিসিবি কার্যালয়ে ছিলেন নাজমুল হাসানসহ অন্যান্য পরিচালকেরা।

    আজকের দুই দফা দাবি 

    • ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। বিসিবি বিভিন্ন খাত থেকে প্রতি বছর যে মুনাফা পায়, সেটার একটা ন্যায্য হিস্যা ক্রিকেটারদের দিতে হবে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের যে জনপ্রিয়তা, পাঁচ থেকে দশ বছর পর ভারতের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক বাজার হবে। অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটাররা এখান থেকেও একটা হিস্যা পায়। পেশাদার ক্রিকেটারদের জন্য একই রকম একটা ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে হবে। যেখানে পেশাদার সংগঠনের সঙ্গে কথা বলে সেটা নিশ্চিত করা হবে। সেটার কারণও পরিষ্কার করেছেন। এই অর্থ শুধু ক্রিকেটাররা নিজেদের পকেটে নেবেন না, বরং এই খাত থেকে পাওয়া অর্থ চোট পাওয়া ক্রিকেটারদের পুনর্বাসন, অবসরের পর পেনশন, গ্র্যাচুইটি ইত্যাদি খাতে ব্যয় করা হবে।
    • নারীদের ক্ষেত্রেও একই রকম ন্যায্য হিস্যা দিতে হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্য ছেলে মেয়েদের বেতবের মধ্যে ধীরে ধীরে একটা সমতা নিয়ে নিয়ে আসা, যেটা অন্য টেস্ট খেলুড়ে দেশে ধীরে ধীরে করা হচ্ছে।