• ভারতের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর
  • " />

     

    রোহিত-রাহুল-কোহলিতে ৩১৫ পেরিয়ে সিরিজ ভারতের

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১৫/৫, ৫০ ওভার 
    ভারত ৩১৬/৬, ৪৮.২ ওভার 
    ভারত ৪ উইকেটে জয়ী ও সিরিজ ২-১ এ জয়ী 


    কাটাকে একটা অনিয়মিত ঘটনা ঘটলো। রানতাড়ায় ৮০ পেরিয়ে সেঞ্চুরির আগে থামলেন বিরাট কোহলি। এর আগে ১৯ বার ওয়ানডেতে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করে কোহলি ৮০ পেরিয়ে সেঞ্চুরি করেছেন ১৪ বার, শেষ সেঞ্চুরির আগে থেমেছিলেন ২০১৩ সালে। তাতে অবশ্য ফলে প্রভাব ফেললো না। রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের পর কোহলির ফিফটির সঙ্গে রবীন্দ্র জাদেজা ও শারদুল ঠাকুরের ক্যামিওতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩১৫ রানের লক্ষ্য ৮ বল ও ৪ উইকেট বাকি থাকতেই পেরিয়ে গিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে গেছে ভারত। 

    রোহিত-রাহুলের ১২২ রানের ওপেনিং জুটির পর একসময় ১ উইকেটে ১৬৭ রানের স্কোর ছিল ভারতের, তাদের রানতাড়াকে তখন মনে হচ্ছিল বেশ মসৃণ। মাঝে ৬১ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারানো ও রান-বলের ব্যবধান কিছুটা বেড়ে যাওয়াতে উত্তেজনা এসেছিল সে ম্যাচে, পরে কোহলির উইকেট সেটি বাড়িয়েছিল আরেকটু। তবে ঠাকুর নেমে করেছেন ৬ বলে ১৭, আরেকদিকে জাদেজা অপরাজিত ছিলেন ৩১ বলে ৩৯ রান করে। ভারত শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য পেরিয়ে গেছে দাপট দেখিয়েই। 

    রোহিত-রাহুল ঠিক ঝড় না তুললেও ৩১৫ রানের লক্ষ্যে করেছেন দাপুটেই। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে দুজন মিলে তুলেছিলেন ৫৯ রান, দুজন পরে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন যথাক্রমে ৫২ ও ৪৯ বলে। তবে সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তাদের কারোরই, প্রথমে জেসন হোল্ডারের বলে সমানসংখ্যক বলে ৬৩ রান করে এজড হয়েছেন রোহিত, আলজারি জোসেফের বলে গ্লাভড হয়ে ফেরার আগে রাহুল করেছেন ৮৯ বলে ৭৭। 

     


    শ্রেয়াস আইয়ার ও ঋষভ পান্টকে দ্রুত ফিরিয়েছিলেন কিমো পল, মাঝে কেদার যাদবকে শেলডন কটরেল বোল্ড করার পর কোহলিকেও বোল্ড করেছিলেন পল। ৮১ বলে ৯ চারে ৮৫ রান করে ফিরেছিলেন কোহলি। সে উইকেটের পর ভারতের প্রয়োজন ছিল ২১ বলে ৩০ রান, ঠাকুর ও জাদেজায় এরপর আর পা হড়কায়নি ভারত। 

    এর আগে নিকোলাস পুরানের ৬৪ বলে ৮৯ ও কাইরন পোলার্ডের ৫১ বলে ৭৪ রানের শেষদিকের ঝড়ে ৩০০ পেরিয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩২তম ওভারে ১৪৪ রানে ৪ উইকেট থেকে তাদেরকে টেনেছিল এ দুটি ঝড়ো ইনিংসই। 

    ১৫তম ওভারে গিয়ে প্রথম ব্রেকথ্রু পেয়েছিল ভারত, ৫০ বলে ২১ রানের শ্লথ ইনিংসের পর নভদিপ সাইনির হাতে রবীন্দ্র জাদেজার ক্যাচ দিয়েছিলেন এভিন লুইস। ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৩০০০ রান ছোঁয়া শেই হোপ বোল্ড হয়েছেন মোহাম্মদ শামির বলে, ৫০ বলে ৪২ রান করে। 

    এ দুজনের পর রসটন চেজ ও শিমরন হেটমায়ারও ফিরেছেন মাঝ ৩০-এর দিকেই, দুজনই আউট হয়েছেন অভিষিক্ত সাইনির বলে। ৩৩ বলে ৩৭ করে ক্যাচ দিয়েছিলেন হেটমায়ার, পরের ওভারে ৪৮ বলে ৩৮ করে বোল্ড হয়েছেন চেজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তখন পথ হারাচ্ছিল। পুরান-পোলার্ড সেটি হতে দেননি। শেষ ১০ ওভারে এ দুজনে ভর করে ১১৮ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।