• ফেডারেশন কাপ
  • " />

     

    চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে সেমিফাইনালে মোহামেডান

    ফুলটাইম 
    চট্টগ্রাম আবাহনী ০-২ মোহামেডান 


    মৌসুম শুরুর আগে দল গঠন নিয়েই সংশয়ে ছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে টালমাটাল অবস্থার সামাল দিয়ে শেষ পর্যন্ত নতুনদের নিয়ে দল গড়ে ফেডারেশন কাপে এসেছিল ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। কঠিন গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে মোহামেডান তাদের যাত্রা টেনে নিয়ে গেল আরও দূরে। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উঠে গেছে ১০ বারের চ্যাম্পিয়নরা। 

    প্রথমার্ধে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে মোহামেডান। ২৫ মিনিটে ডিফেন্ডার ইকবল জনের ভুলের সুযোগ নিয়ে বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েছিলেন শাহেদ হোসেন। এর পর ডান পায়ের শটে গোল করে চট্টগ্রাম আবাহনীকে চমকে দেন তিনি। সেই ঝড় সামাল দেওয়ার আগেই আরেক গোল খেয়ে বসে মারুফুল হকের দল। বক্সের ভেতর ঢুকে বাম পায়ের শটে গোল করে মোহামেডানে জয়ের পথে অনেকখানি এগিয়ে দেন সুলেমান দিয়াবাতে।  

    অবশ্য এরপরও অনেক কাজ বাকি ছিল মোহামেডানের। চট্টগ্রাম আবাহনী প্রথমার্ধেই দারুণ দুইটি সুযোগ পেয়েছিল। তবে দুইবারই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন গোলরক্ষক মাজহারুল ইসলাম হিমেল। বিশেষ করে ৩৯ মিনিটে চার্লস দিদিয়েরের পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে করা সেভটার কথা তার মনে থাকার কথা বহুদিন। 

    দ্বিতীয়ার্ধে চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালালেও তাতে লাভ হয়নি। মোহামেডান কোচ ৩-৪-৩ ফর্মেশনে শুরু করলেও পরে চারজনের ব্যাকলাইনে ফেরেন। রক্ষণে মনোযোগী মোহামেডান অবশ্য জয়ের ব্যবধানও বাড়াতে পারত।  ৭২ মিনিটে দিয়বাতে গোলবঞ্চিত হয়েছেন বারপোস্টের কারণে। 

    চট্টগ্রাম আবাহনী এদিন খেলতে নেমেছিল স্ট্রাইকার নিক্সনকে ছাড়াই। মারুফুল হক মনে করছেন নিক্সনের না থাকা আর দলের খেলার ধরনে প্রভাব ফেলেছে। তবে এরপরও এই ফলকে অগ্রহণযোগ্য বলছেন তিনি। মারুফুল বলছেন, বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়াতেই কপাল পুড়েছে তার দলের। 

    আর ৩ বছর বিরতির পর আবারও ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উঠে শন লেইন বলছেন এখন শিরোপা জয়ও সম্ভব তার দলের জন্য। টুর্নামেন্ট ফেভারিটদের বিদায় করে দেওয়ার পর তো এমন স্বপ্ন দেখতেই পারেন মোহামেডান কোচ।  সেমিফাইনালে মোহামেডানের প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন