• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    জাতীয় দলে ঢোকার তাড়া নেই, আপাতত মানিয়ে নিতে চান তারিক কাজী

    ফিনল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন, ফুটবলের হাতেখড়িও তার সেখানেই। বাংলাদেশে এসে যে কাজী তারিকের মানিয়ে নিতে সময় না লাগলে বরং সেটা হবে বিস্ময়।  ১৯ বছর বয়সী তারিকও সে কথাই বলছেন, জাতীয় দলে ঢোকার তাড়া নেই তার, আপাতত দেশের ফুটবলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে উন্নতি করতে চান তিনি।

    নভেম্বরে বসুন্ধরা কিংসে নাম লেখানোর পর ফেডারেশন কাপ খেলা হয়নি তারিকের। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচেও দলে ছিলেন না। অভিষেক হয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচে, বাংলাদেশ পুলিশ এফসির বিপক্ষে। অবশ্য শুরুটা মনমতো হয়নি তার, বসুন্ধরা কিংস ১-১ গোলে ড্র করেছে ম্যাচ।

    বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে লিগ দেখতে এরই মধ্যে ঢাকায় এসেছেন। যদিও বসুন্ধরার ম্যাচটি দেখা হয়নি তার। ম্যাচ শেষে তারিকের কাছে অবধারিত প্রশ্ন, জেমির নজর কাড়তে পারবেন বলে মনে হয়? সে প্রশ্নের জবাবেই তারিক বলছেন তাড়া নেই তার, "বাংলাদেশী ফুটবলার হিসেবে আজকে আমার যাত্রা শুরু হলো। জাতীয় দলে ঢোকার কোনো তাড়া নেই আমার। এখন থেকে প্রতিদিন উন্নতি করে যেতে চাই।"

    নিজের অভিষেকে একেবারে নতুন পজিশনে খেলেছেন তারিক। মূলত রাইটব্যাক হলেও তপু বর্মনের সঙ্গে সেন্টারব্যাক হিসেবে একাদশে ছিলেন তিনি। নতুন পজিশনটা তার জন্য কঠিন মানছেন তিনি, "আমি মূলত রাইটব্যাক। রাইট সেন্টারব্যাকেও খেলেছি। কিন্তু লেফট সেন্টারব্যাক হিসেবে কখনও খেলা হয়নি। নতুন পজিশনে খেলা কঠিন। তবে কোচ যেখানে খেলাবে সেখানেই নিজের শতভাগ দিতে চাই আমি।"

    তারিকের জন্ম আর বেড়ে ওঠা ফিনল্যান্ডে। সেখানকার অনুর্ধ্ব-১৭ ও ১৯ দলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। ক্লাবের হয়ে ইউরোপা লিগের বাছাইপর্বেও খেলেছেন তিনি। অমন জায়গায় খেলে এসে বাংলাদেশের ফুটবল আবকাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও একটা চ্যালেঞ্জ। মাঠের দিকে আঙুল তুলে নিজেই জানালেন, বল কোথায় কোথাও বাউন্স খেয়েছে। একবার পিছলে পড়তে গিয়েছিলেন সে কথাও জানালেন। তবে এসব কিছু অজুহাত হিসেবে দাঁড় না করিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে চান তিনি।

    তারিকের কাছে বাংলাদেশ আর ফিনল্যান্ডের ফুটবলের পার্থক্য মোটা দাগে একটি। ওখানকার ফুটবল অনেক বেশি ট্যাকটিক্যাল। আর এখানে দৌড় ঝাঁপ আর ট্যাকেলের প্রকোপ বেশি। বয়স যেহেতু মাত্র ১৯, তাই মানিয়ে নেওয়ার জন্য লম্বা সময়ও পাচ্ছেন তিনি। পুরো ক্যারিয়ারটাই তো পড়ে আছে তার জন্য। আর উদাহরণ হিসেবে জামাল ভূঁইয়াই তো আছেন তার জন্য। সামনের দিনগুলোতে, ভ্যাঁপসা গরম হবে, বৃষ্টিতে কাদা মাঠে খেলতে হবে- তারিকের জন্য তো সময়টা মানিয়ে নেওয়ারই।   

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন